সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কনস্যুলার সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, এ ইস্যুতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে নানা পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ইরাকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় ঢাকা।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১৪ বাংলাদেশি। হতাহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।
এমন পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে সরকারি খরচে। আহতদের সুচিকিৎসাও নিশ্চিত করা হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘যেখানেই যুদ্ধ আক্রান্ত বা সংঘাতপূর্ণ এলাকা রয়েছে এদের দেখভাল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আমরা যথাযথ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। যেখানে যেখানে কনস্যুলার সেবা বাড়ানো দরকার, সেটা করা হচ্ছে।’
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ওআইসি'র পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। শুক্রবার থেকে ২ দিনের এ সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শান্তি ও সমঝোতার আহ্বান জানাবেন হুমায়ুন কবির। একই সাথে গুরুত্ব দিতে চান ঢাকা-বাগদাদ সম্পর্ক জোরদারে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ওইআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলন বাগদাদে হচ্ছে। এটা গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ ২০ বছর পর এখন বাগদাদের উন্নয়নের সময়।’
জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে মধ্যপ্রাচ্য কাজে লাগাতে পারে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।


