পানির সংযোগও আছে, কিন্তু পানি আসে না কলে। নিয়মিত পানির বিল ও পৌরকর পরিশোধ করেও মিলছে না কাঙ্খিত সেবা। কোথাও সাত মাস, কোথাও এক বছর ধরে চলছে এই সংকট। এতে ক্ষোভ বাড়ছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও মাদারীপুরের কালকিনি পৌরবাসীর। পানি সংকটে নিত্যদিনের কাজে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১০টি প্রোডাকশন টিউবওয়েলের মধ্যে চারটি পুরোপুরি বন্ধ। এতে ব্যাহত হচ্ছে পানি সরবরাহ। গত সাত মাস ধরে তীব্র সুপেয় পানির সংকটে ভুগছে পৌরসভার ৬ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।
নিয়মিত বিল ও পৌর কর পরিশোধ করেও সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ গ্রাহকদের। পানি না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে রান্নাসহ দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহবুবর রশীদ বলেন, ‘পুরোনো টিউবওয়েলের আয়ুষ্কাল শেষ হওয়া, পানির স্তর নেমে যাওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানিতে অতিরিক্ত আয়রন থাকায় এই সংকট হচ্ছে।;
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র ৪টি ওয়ার্ডে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা আছে। বাকি ৫টি ওয়ার্ডে এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি পানি সরবরাহ। অনেক বাসিন্দাই বিকল্প উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনিছুজ্জামান বলেন, ‘২৮০ কিলোমিটার সরবরাহ এলাকার মধ্যে পাইপলাইন রয়েছে মাত্র ১১৩ কিলোমিটারে। আরও ১০০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
একই চিত্র মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায়ও। গত এক বছর ধরে ১ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সংযোগ থাকলেও মিলছে না পানি। পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, ভূমিকম্পের পর ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের পাইপে ফাটল ধরায় তৈরি হয়েছে এ সংকট।