শেবাচিমের বার্ন ইউনিটে নেই অভিজ্ঞ চিকিৎসক, স্থবির সেবা

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সেবা স্থবির হয়ে পড়েছে। দগ্ধ রোগীর চিকিৎসায় অভিজ্ঞ চিকিৎসক না থাকা এবং আগের চিকিৎসকদের অন্যত্র বদলি করায় তৈরি হয়েছে এ অবস্থা। ইউনিটটি সচল রাখতে ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছে রোগী ও স্বজনেরা।

২০১৫ সালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু করা হয় বার্ন ইউনিট। ২০২০ সালে চিকিৎসক সংকটে বন্ধের পর, ২০২১ সালে ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুনের ঘটনার পর ঢেলে সাজানো হয় এই ইউনিট।

সম্প্রতি দুইজন চিকিৎসকদের পদোন্নতি দিয়ে বদলি করা হয় সেখানে। আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। 

রোগীরা জানান, চিকিৎসক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না তারা।

বর্তমানে এই ইউনিটে চিকিৎসকের আটটি ও কর্মচারীদের ১০টি পদ শূন্য। প্রয়োজনীয় জনবল না পেলে সংকট দূর করা কঠিন বলছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শেবাচিম হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য যে মাপের বার্ন ইউনিট থাকা দরকার তা আমাদের নেই। এখন একজন মেডিকেল অফিসার, ইন্টার্ন ও নার্সদের দিয়ে এ ইউনিট চালিয়ে রাখা হচ্ছে। একটি পৃথক বার্ন ইউনিট নির্মাণের কথা চলছে সেটা হলে আর সমস্যা থাকবে না। তবে সেটা কবে হবে তা জানি না।’

বার্ন ইউনিটে এ পর্যন্ত সাত হাজার অগ্নিদগ্ধ রোগী সেবা পেয়েছেন। সার্জারি হয়েছে দুই হাজারের বেশি দগ্ধ রোগীর।