শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র ১৫; আর তাদের জন্য শিক্ষক ১৩ জন ও কর্মচারী ৪ জন। এই চিত্র পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষকদের অনুপস্থিতি ও দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কমেছে শিক্ষার্থী। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, অবকাঠামো সংকট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতাই এর মূল কারণ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নে ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা। এটি এমপিওভুক্ত হয় ২০০৪ সালে। ছোট দুটি জরাজীর্ণ টিন শেড ভবনে চলছে পাঠদান। বর্তমানে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী মাত্র ১৫ জন। আর শিক্ষক ১৩ ও কর্মচারী ৪ জন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের ৫ সদস্য শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকলেও অনেকের অনুপস্থিতি, দুর্বল শিক্ষা কার্যক্রম ও সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় দিন দিন কমেছে শিক্ষার্থী। অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
পটুয়াখালীর ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আফরোজা বেগম বলেন, ‘অবকাঠামো সংকট ও অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার কারণেই বাড়ছে না শিক্ষার্থী।’
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তারেক হাওলাদার বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পূর্ব ইন্দ্রকুল গ্রামের এক কিলোমিটারের মধ্যেই আছে আরও ৩টি মাদ্রাসা ও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।