বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মিধিলি উপকূল অতিক্রম করার সময় গাছ পড়ে সন্দ্বীপে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়। এ নিয়ে মিধিলির তাণ্ডবে সারাদেশে মৃতের সংখ্যা হলো ২।
নিহত আব্দুল ওহাব (৬৫) মগধরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আব্দুল লতিফ।
এর আগে দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইলে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়।
শুক্রবার বেলা ৩টায় উপকূল অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি। এরপরই এটি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এটি ক্রমশ আরও দুর্বল হচ্ছে।
মিধিলি দুর্বল হয়ে যাওয়ায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বন্দরের ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৪টি বন্দরকেই ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এর আগে বেলা ১২টার পর মিধিলির অগ্রভাগ উপকূলে আঘাত করে। ঝড়ের প্রভাবে নোয়াখালীর হাতিয়াতে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ছিল ৯৪ কিলোমিটার। পটুয়াখালীতে এ গিতবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার।
এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ভোলায় ১৭৬ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ১৫৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুরে ১৪১ মিলিমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে গত রাত থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে।
এ ছাড়া চলতি মাসে আপাতত কোনো ঘূর্নিঝড় হবে না বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে বন্ধ করা হয়েছে সারা দেশে নৌ চলাচল।