বিএনপি-এনসিপিসহ ১০ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমজমাট নোয়াখালী-৬ আসন

দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ১১ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা নিয়ে নোয়াখালী-৬ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন। ভোটকেন্দ্র ১০৪টি, যারমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সাতটি। যেখানে বিএনপি, এনসিপিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রবীণদের দীর্ঘদিনের দাপটকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন নবীনেরা। আলোচনায় আছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। নদী ভাঙন রোধ, ভূমিহীনদের পুনর্বাসন, স্বাস্থ্য-শিক্ষার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

মেঘনা নদী ও বঙ্গাপসাগরে ঘেরা হাতিয়া অঞ্চল নিয়ে নোয়াখালী-৬ আসন। ১১টি ইউনিয়ন, এক পৌরসভা আর প্রায় সাত লাখ জনমানুষ নিয়ে গঠিত আসনটি। এই আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিচ্ছেন বিএনপি, এনসিপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। হাতিয়ায় ধানের শীষের গণজোয়ার দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিজয়ী হলে নদী ভাঙন রোধ, ভূমিহীনদের পুনর্বাসন করবেন।

১০ দলীয় জোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। ভোটে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তানভীর উদ্দিন রাজিব এবং তিনবারের সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিম। 

প্রবীণদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক দাপট থাকলেও, নবীনদের পরিবর্তনের বার্তা ভোটের মাঠে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ভোটারেরা। নির্বাচনী মাঠে হাতিয়ার আসন এখন প্রবীণদের মর্যাদা রক্ষা আর নবীনদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সম্ভাবনার লড়াই হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।