ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত তিনজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। রোববার ভোর ৪টার দিকের এ দুর্ঘটনায় আরও তিনজন হয়।
পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে সোহাগ রহমান (২৭) ঢাকার লালবাগ থানার শহীদ নগর ১ নম্বর গলির মজিবুর রহমানের ছেলে। সোহাগ তার দুই বন্ধু রানা ও সোহেলসহ ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন।
নিহত মো. মোরশেদ (৪০) রংপুরের হারাগাছ থানার মিনহাজ বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত মোকতাদুর রহমানের ছেলে। তিনি ঢাকার বাংলামোটরে মোটর পার্টসের ব্যবসা করতেন। তিনিও পরিবার নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।
এদিকে, নিহত কাউচার–দোয়েল বাসের সুপারভাইজারের এখনও নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে সেখানে মৃত্যু হয় আরও একজনের।
মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-রামপুর এলাকায় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি লেনের কাজ চলছিল। এসময় একটি অ্যাম্বুলেন্স ধীর গতিতে পার হচ্ছিল। শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।’
আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার ও অ্যাম্বুলেন্সের চালকের কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছনে মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জটলা লেগে যায়। তার কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতীতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস জটলার মধ্যে ধাক্কা দেয়। এতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন মোটরসাইকেল আরোহী, বাসের সুপারভাইজার ও একজন যাত্রী নিহত হয়। তিনজন আহত হয়। নিহতদের লাশ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’