লক্ষ্মীপুরের বাজারে সরবরাহ বেড়েছে ইলিশের

দীর্ঘদিন পর লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী ও সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ইলিশ। সরগরম জেলে পল্লী ও স্থানীয় মাছঘাটগুলো। গত সপ্তাহের তুলনায় আড়তগুলোতে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে দাম কমেছে দুই থেকে তিনশ টাকা। দীর্ঘদিন পর জালে মাছ আসায় উপকূলের জেলে ও আড়তদারদের মনে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল। মেঘনার এই ১০০ কিলোমিটার নদী সীমানায় প্রায় ৫৩ হাজার জেলের বাস। ইলিশের ভরা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে চরম হতাশায় ছিলেন তারা। তবে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পাল্টে গেছে চিত্র। দীর্ঘদিন পর জেলেদের জালে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। ফলে জেলার প্রায় ৩০টি মাছঘাটে এখন কেনাবেচার ধুম।

মাছঘাটে সরবরাহ বাড়ায় বাজারে কমেছে ইলিশের দাম। গত সপ্তাহে যে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছিল ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়। কিছুটা কমে এখন মিলছে ২ হাজার টাকায়। তবে জেলেরা বলছেন, ধরা পড়া ইলিশের  বেশিরভাগই আকারে কিছুটা ছোট।
 
চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলায় মৎস্য বিভাগ ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ২৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। 

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এবার অনেক বৃষ্টিপাত হয়েছে। নদীতে পানিও বাড়ছে। তবে মেঘনায় ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। সাগরেও প্রচুর পরিমান ইলিশ ধরা পড়ছে। কমছে দামও। সামনে আরও বাড়তে পারে।’

বাজার তদারকি জোরদারের পাশাপাশি মেঘনার বুকজুড়ে ইলিশের এই ধারা অব্যাহত থাকলে প্রান্তিক জেলেদের অর্থনৈতিক সংকট দ্রুত কেটে যাবে এমনটাই প্রত্যাশা উপকূলবাসীর।