পাহাড়ি পর্যটনে বিপর্যয়: ভারী বর্ষণ-ঢলের প্রভাবে বুকিং বাতিল

ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে কৃষি, মৎস্য ও অবকাঠামোর পাশাপাশি বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে পাহাড়ের পর্যটন খাতে। খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের স্থানে স্থানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে, বাতিল হয়েছিল শত শত বুকিং। ফলে লোকসানের মুখে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারি প্রণোদনার দাবি তাদের।  

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কৃষি, মৎস্য, গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি টাকারও বেশি। দুর্যোগের ধাক্কা লেগেছে পাহাড়ের অর্থনীতির প্রাণ পর্যটন শিল্পেও। 

সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় টানা তিন দিন বিচ্ছিন্ন ছিল দীঘিনালা-সাজেক সড়কের একাধিক অংশ। বাতিল হয়ে যায় হোটেলে-মোটেলের বুকিং। পর্যটক না আসায় ক্ষতির মুখে পড়েন পরিবহন শ্রমিক, হোটেল-রিসোর্ট মালিক, গাইড ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ পর্যটনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য মানুষ।

বন্যার পর সচল হয়েছে খাগড়াছড়ি ও সাজেকের সড়ক যোগাযোগ। লোকসান কাটিয়ে উঠতে সরকারি প্রণোদনা চান ব্যবসায়ীরা।
 
খাগড়াছড়ি ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য উজ্জ্বল দে বলেন, ‘সরকার যদি প্রণোদন দেয় তাহলে হয়তো লোকসানের কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারব।’

প্রশাসন বলছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সাথে সাথে পর্যটক সমাগম বাড়বে। 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ‘আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশা করি পর্যটকের সমাগম বাড়বে। ব্যবসায়ীরাও ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবে।’

বন্যায় খাগড়াছড়ি ও সাজেকে পর্যটন খাতে অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান পর্যটন ব্যবসায়ীরা।