চট্টগ্রামে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে অন্তত ৫টি ফুটওভারব্রিজ। এর মধ্যে একমাত্র এলিভেটেড ফুটওভারব্রিজটি চালু ছিল মাত্র ২ মাস। সঠিক পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব স্থাপনার সুফল মেলেনি, বলছেন স্থানীয়রা। এ পরিস্থিতিতে নতুন ৩৮ ফুটওভারব্রিজ নির্মাণে সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে যথাযথ সমীক্ষা নিশ্চিতের দাবি সংশ্লিষ্টদের।
শুলকবহরে দুই ফ্লাইওভারের মাঝে কর্ণফুলী সেতুর আদলে তৈরি ফুটওভারব্রিজের ব্যবহার নেই বললেই চলে। একদিকে উঁচু সিঁড়ি, অন্যদিকে যাত্রী পারাপার কম। বেশিরভাগ সময় জনশূন্যই থাকে ফুটওভারব্রিজটি।
একই অবস্থা সিটি করপোরেশন নির্মিত আরও ৪টি ফুটওভারব্রিজের। ২০২০ সালে প্রায় ৪ কোটি টাকায় তৈরি চট্টগ্রামের একমাত্র এস্কেলেটর ফুটওভারব্রিজটি মাত্র দুমাস সচল ছিল। অথচ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ফুটওভারব্রিজের দাবি দীর্ঘদিনের।
নগর পরিকল্পনাবিদ দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ছাড়াই অহেতুক প্রকল্পে সরকারি অর্থ অপচয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নেওয়া উচিত।’
লালখানবাজার ও জিইসি মোড়ে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ করছে সিটি করপোরেশন। উদ্বোধনের অপেক্ষায় আরেকটি। গুরুত্বপূর্ণ ৩৮টি মোড়ে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘অতীত ভুল বিবেচনা করেই নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।’
সিটি করপোরেশন ছাড়াও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, মুরাদপুরে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ করে। জনগণের প্রয়োজন বিবেচনা করে অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ স্থানীয়দের।