ইভিএম দুর্নীতি: ইসির ৩ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ 

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ইভিএমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের তিন হাজার ১৭২ কোটি কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 
 
সংস্থাটির সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তলবে হাজির হয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের উপসচিব ফরহাদ হোসেন, সিস্টেম অ্যানালিস্ট ফারজানা আখতার ও ওই সময়ের সিনিয়র মেইন্টেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন। এদিন সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের ৬ জনকে তলব করা হয়েছে। 

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাসহ অন্যান্যের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারি আর্থিক বিধিবিধান লঙ্ঘন করে টেন্ডার ব্যতিত বাজারমূল্যের চেয়ে ১০ গুণ বেশি দামে দেড় লাখ টাকার ইভিএম ক্রয় করে সরকারের প্রায় ৩ হাজার ১৭২ কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের অনুসন্ধানে নির্বাচন কমিশনে অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক।

২০১৮-র নির্বাচনের আগে আগে দেড় লাখ ইভিএম কেনে কে এম নুরুল হুদা কমিশন। একেক মেশিনের খরচ ২ লাখ ৩৫ হাজার ধরে হাতে নেওয়া হয় ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার প্রকল্প। দাবি করা হয়, উন্নতমানের ইভিএম তৈরির।

শুরুতে ইভিএমের মেয়াদ ১০ বছর ধরা হলেও, ৫ বছরের মধ্যে অচল হয়ে যায় বেশিরভাগ মেশিন। সংসদ, স্থানীয় ও উপনির্বাচন মিলে প্রায় দেড় হাজার নির্বাচন হয়েছে এই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে।