ফরিদপুরে দিন দিন বাড়ছে মাছের আঁশের চাহিদা। ফেলে দেওয়া এই বর্জ্য এখন অনেকের বাড়তি আয়ের উৎস। বাজার থেকে সংগ্রহ করা আঁশ প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানো হচ্ছে দেশের বাইরেও, যা ব্যবহার হচ্ছে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পে। সংশ্লিষ্টদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
ফরিদপুরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে মাছের ফেলে দেওয়া আঁশই এখন ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবীদের বাড়তি আয়ের উৎস। প্রতিদিন মাছ কাটার পর সংগ্রহ করা এসব আঁশ বিক্রি করে হচ্ছে অতিরিক্ত আয়।
দীর্ঘদিন ধরে বড় মাছের আঁশ সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে বিক্রি করছেন সুশান্ত কুমার বিশ্বাস। মাসে প্রায় তিন হাজার কেজি মাছের আঁশ সংগ্রহ করে দেড় টন শুকনো আঁশ বিক্রি করে লাখ টাকার বেশি আয় তার।
সুশান্তকে দেখে এখন বিভিন্ন বাজারে মাছ কাটার কাজে নিয়োজিত নারী-পুরুষরাও সংগ্রহ করছেন আঁশ। যেগুলো শুকিয়ে কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।
এসডিসি কর্মকর্তা জাবেদুল ইসলাম বলেন, ‘ফরিদপুরে মাছের আঁশ সংগ্রহকারীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান বলেন, ‘এই খাত সংগঠিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।’
মাছের ফেলে দেয়া আঁশ প্রক্রিয়াজাত করে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে পাঠানো হচ্ছে বিদেশেও।