খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে ছাত্রত্ব ও সনদ স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। এ ছাড়া তিন সদস্যের উচ্চতর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক ও সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক হাসান মাহমুদের ওপর হামলা করেন মোবারক হোসেন নোমান নামের ওই শিক্ষার্থী। তিনি বাংলা বিভাগের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বর্তমানে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।
প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, মোবারক হোসেন নোমানের ছাত্রত্ব ও সনদ স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। এ ছাড়া তিন সদস্যের উচ্চতর একটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসান মাহমুদের ওপর হামলা করেন ওই শিক্ষার্থী। বর্তমানে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তিন দফা দাবিতে রাতে বিক্ষোভ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফেরেন তাঁরা।