খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক ও সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক হাসান মাহমুদের ওপর হামলা করেছে এক শিক্ষার্থী। বর্তমানে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিক্ষক।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বাংলা বিভাগের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বর্তমানে মাস্টার্চের শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন নোমানকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ করে উপচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। পরে উপচার্যের আশ্বাসে হলে ফেরেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করীম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে আমি চিনি না। সে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। বর্তমানে শুনেছি মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছে। ক্লাস করে না ঠিকমতো। ওর হামলায় শিক্ষক হাসান মাহমুদ মাটিতে পড়ে যায়। মাথায় আঘাত পেয়েছে। বর্তমানে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনা তদন্তে আমরা তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘রাতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে আমার বাসভবনের সামনে আসছিল। তারা ওই শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত করেছে। ওই ছেলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও আজীবন বহিষ্কারের দাবি করেছে। আমি তাদের দাবির সাথে একমত পোষণ করেছি। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। তদন্ত শেষে বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে শিক্ষার্থীরা আস্বস্ত হয়ে হলে ফিরেছে।’



