রাস্তার পাশের খাবারের দোকানেও নিতে হবে নিবন্ধন

এখন থেকে রাস্তার পাশের পিঠা, ঝালমুড়ি, পেঁয়াজু-পুরির মতো খাবার বিক্রির দোকানকেও নিবন্ধন করতে হবে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে সব ধরনের খাবারের ব্যবসায় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। খাদ্য ব্যবসা নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় আনা, উৎপাদন ও বিপণনে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং ভোক্তাদের অভিযোগের ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ। 

খাবারে ভেজাল, ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন ও বেচাকেনা প্রতিরোধে প্রায়ই অভিযান চালায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এবার খাবারের ব্যবসায় শৃঙ্খলা আনতে ছোট-বড় সব দোকানের জন্য লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক করা হলো। 

নতুন নিয়মে, রাস্তারে পাশে বা পার্কের যত খাবারের দোকান, সবগুলোকেই লাইসেন্স নিতে হবে। সব রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, ক্যাটারিং সেবা, মিষ্টির দোকান, প্যাকেটজাত খাবার ও দুগ্ধপণ্য উৎপাদনকারী এবং খাদ্যপণ্য আমদানিকারকদের জন্যও একই নিয়ম। এ ছাড়া পাইকারি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল এবং লবণ উৎপাদনও এ নিয়মের আওতায় থাকবে। 

অন্যদিকে, শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বিশেষ পথ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্যসহ নির্দিষ্ট বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের ক্ষেত্রেও নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স নিতে হবে।

প্রথমবার ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার লাইসেন্স নেয়া যাবে বিনা মূল্যে। এর মেয়াদ ৩ বছর। বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ফি আয়তন অনুযায়ী ১০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে উল্লেখ করতে হবে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর।

প্রাথমিকভাবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন করা যাবে। পরে তা অনলাইনে চালুর পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের।