৬ মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ৫০ টাকা। চলতি সপ্তাহে খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। সে হিসেবে একটি ডিমের দাম পড়ছে ১৪ টাকারও বেশি। বাড়তি দাম নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিচ্ছে না বাণিজ্য মন্ত্রনালয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন, ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণের কাজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের।
এ বছরের শুরুতে ফার্মের মুরগীর ডিমের ডজন ছিলো ১২০ টাকা। তখন একটি ডিম কিনতে খরচ হত ১০ টাকা। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাজারে দাম বাড়তে থাকে। এখন খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। আর পাইকারিতে যার দাম দেড়শ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে ডিমের সরবরাহ কম। পাইকারিতেই আগের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। নিত্যপণ্যের বাজারে অন্যান্য পণ্যে পাশাপাশি ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতি অস্বস্তিতে ফেলেছে ক্রেতাদের।
শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণের দায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগে ।
তিনি বলেন, ‘ডিমের দাম আমরা ঠিক করতে পারিনা। এটা ঠিক করে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। আমাদের জানার দরকার ডিমের এ্যাকচুয়াল প্রাইজটা সব খরচ মিলিয়ে লাভ সহ কত হওয়া উচিৎ। সেটা যদি আমরা জানি, তাহলে আমাদের ভোক্তা অধিকার সেটাকে বেইজ করে মাঠে নামতে পারে।’
গত বছরও আগস্ট মাসে দেশে ডিমের বাজার হঠাৎ অস্থিতিশীল হয়। তখন বাণিজ্যমন্ত্রী ডিম আমদানির হুঁশিয়ারি দেন। কিছুটা নামে দাম।
ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে শনিবার সারা দেশে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।