পুঁজিবাজার: সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে সূচক

বিদায়ী সপ্তাহে সূচক উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। এসময় বাজার মূলধন বেড়েছে ৩ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রায় ৫৭ ভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দামও বেড়েছে। এতে সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১৪০ পয়েন্টের বেশি।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকার শেয়ারবাজারে ৫ দিনই সূচক বেড়েছে। এতে পুরো সপ্তাহ জুড়েই ইতিবাচক ছিলো বাজার। সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১৪০ দশমিক নয় আট পয়েন্ট বেড়েছে। অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৬১ পয়েন্টে। বেড়েছে অন্য দুটি সূচকও।   

সূচক বাড়লেও লেনদেন কিছুটা কমেছে আগের সপ্তাহের তুলনায়। এসময় মোট ৬ হাজার ৪১৯ কোটি ২১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিলো ৬ হাজার ৪৩৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। এতে লেনদেন কমেছে ১৯ কোটির বেশি। এসময় প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।

বেড়েছে বাজার মূলধন। গত সপ্তাহে বাজার মূলধন ছিলো ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে ছিলো ৬ লাখ ৯০ হাজার ১০ কোটি টাকা। অথাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে মূলধন বেড়েছে ৩ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।শতাংশের হিসেবে বেড়েছে  দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ। 

বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেয়া ৩৯০ টি কোম্পানি ও মিচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে প্রায় ৫৭ ভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ২২২ টি কোম্পারির শেয়ারের দাম। কমেছে ১৪৬ টির। অপরিবর্তিত আছে ২২ টি প্রতিষ্ঠানের। 

সপ্তাহ জুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে সামিট এলায়েন্স পোর্ট, আইপিডিসি দ্বিতীয়। তৃতীয় এনসিসি ব্যাংক।

শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে সাইফ পাওয়ার টেক। শেয়ার দর বেড়েছে ৩৯ দশমিক সাত এক শতাংশ। দ্বিতীয় ন্যাশনাল ফিড মিল এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে এসএস স্টিল। 

অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ১৫৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে। মোট লেনদেন ২১৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।