২৬ বছর বয়সে বলিউডে পা রেখেছিলেন হৃতিক রোশন। বাবা রাকেশ রোশনের পরিচালনায় ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’ ছবি দিয়ে ২০০০ সালে অভিষেক হয় তাঁর। ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন ‘ধুম’, ‘কাইটস’, ‘কৃশ’, ‘যোধা আকবর’, ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’, ‘মুঝসে দোস্তি কারোগা’সহ আরও বেশি কিছু সুপারহিট সিনেমা। আজ সেই ‘গ্রিক গড’খ্যাত অভিনেতার জন্মদিন। ৫০ বছর পূর্ণ হলো তাঁর। বিশেষ দিনটিতে ভক্ত ও পরিবারের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি।
একটা সময় রাকেশ-পুত্রর গায়ে সেঁটে দেওয়া হয়েছিল ‘ওয়ান ফিল্ম হিরো’ তকমা। অর্থাৎ একটা ছবিই সাফল্য পায় যে নায়কের! পরিচালক-প্রযোজকরাও রাজি ছিলেন না হৃতিককে নিয়ে কাজ করতে। তবে ভাগ্য বদলে দিয়েছিল কোয়ি মিল গ্যায়া সিনেমাটি। রাতারাতি নাম উঠে গিয়েছিল বলিউডের শীর্ষ নায়কদের তালিকায়। এরপর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট ৩ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হৃতিক। বলিউড অভিনেতাদের মধ্যে তাঁর বাড়ি মুম্বাইয়ের একটি দর্শনীয় স্থানের মধ্যে পড়ে। অভিনেতার বাড়ি জুহু ভার্সোভা লিংক রোডে। ৩৮ হাজার বর্গফুটে তাঁর বাড়িটি তৈরি। তথ্য অনুসারে, অভিনেতার এই বাড়ির বর্তমান বাজার মূল্য ১০০ কোটি।
হৃতিকের রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ির শখ। জানা যায়, ১০টিরও বেশি দামি গাড়ি রয়েছে তাঁর। অভিনেতা রোলস-রয়েস ঘোস্ট সিরিজ ২-এর মালিক, যার দাম ৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া তাঁর কাছে রয়েছে অডি, মার্সিডিজ ও পোর্শের মতো ব্র্যান্ডের একাধিক গাড়ি।
শুধু তা-ই নয়, দামি ঘড়ির শখও রয়েছে হৃতিকের। বিলাসবহুল ঘড়ি সংগ্রহ করা তাঁর নেশা বলা যায়। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা তাঁর ঘড়ির সংগ্রহ নিয়ে তথ্য ফাঁস করেছিলেন। জানান, বিভিন্ন দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি রাখেন তিনি।
এ ছাড়া হৃতিকের অনেকগুলো জিম রয়েছে। ভারতে ১১টি ছাড়াও বিভিন্ন দেশেই তাঁর এই ব্যবসা রয়েছে। সেখান থেকে আয় হয় মোটা অংক। একই সময়ে, অভিনেতা ২০১৩ সাল থেকে চালু করেছেন নিজের পোশাক ব্র্যান্ডও।
প্রসঙ্গত, বলিউডের অন্যতম অভিনেতাদের একজন হৃতিক। বর্তমানে অভিনেতা একটি ছবির জন্য কমপক্ষে ৩৫ থেকে ৭০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। সিনেমা ছাড়াও তিনি মোটা অংকের টাকা আয় করেন এনডোর্সমেন্ট থেকে। একটি বিজ্ঞাপনের জন্য আট থেকে দশ লাখ টাকা নেন বলে সূত্রের খবর। এদিকে, আগামী ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেতে যাচ্ছে হৃতিকের ‘ফাইটার’। এতে তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ।