কৃষ্ণসার হরিণ হত্যাকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের শত্রু বনে গিয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এই জেরে বেশ কয়েকবার হুমকিও পেয়েছেন তিনি। সর্বশেষ গত এপ্রিলে অভিনেতার বাড়ির সামনে এসে প্রকাশ্যে গুলি চালায় গ্যাং প্রধান লরেন্স বিষ্ণোইয়ের লোকেরা।
অন্যদিকে, সম্প্রতি খুন হয়েছেন মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিক। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যেও বিষ্ণোই গ্যাং!
ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বাবা সিদ্দিকের ছেলে জিশান সিদ্দিকেরও। এর মাঝেই সালমান খানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ফ্ল্যাটের বাইরে বসল ভারতের স্পেশাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (এসআরপিএফ)।
আর কী কী রদবদল হলো তাঁর নিরাপত্তায়?
সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টটি ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার বলয়ে। যদিও এই ঘটনা প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি ভাইজান। মাস কয়েক আগে থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়িতে চড়েন। পাশাপাশি ওয়াই প্লাস নিরাপত্তাও রয়েছে। এবার তিনি যেখানেই যাবেন তাঁর গাড়ির পেছনে থাকবে মুম্বাই পুলিশের গাড়ি। সঙ্গে থাকবেন সব রকম অস্ত্র চালাতে সক্ষম দুই কনস্টেবল। এ ছাড়া তাঁর বাড়ির বাইরে থাকছে স্পেশাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স।
জানা যায়, সালমান খানের বান্দ্রার বাসভবনের সামনে গুলি চালানোর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে শুভম লোনকারের নাম উঠে আসে। সেই গুলি চালানোর ঘটনায় আটকদের জেরা করে শুভমের নাম পায় পুলিশ। সূত্রের দাবি, সেই ঘটনাতেও শুটারদের আশ্রয় দিয়েছিলেন শুভম। কিন্তু এত কিছুর পরেও তাঁর বিরুদ্ধে পোক্ত কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ। ফলে শুভমকে ছেড়ে দিতে হয়। এবার বাবা সিদ্দিকের খুনের নেপথ্যে পুলিশের সন্দেহের তালিকায় সেই শুভম।
এদিকে, সালমানকে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতীয় রাজনৈতকি দল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হরনাথ সিং যাদব। তিনি মনে করেন, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে অভিনেতার ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ এ সম্প্রদায়ের পবিত্র প্রাণী কৃষ্ণসার হরিণকে এক সিনেমার শুটিংয়ে গুলি করে মেরেছিলেন সালমান। বিষ্ণোই গ্যাং একাধিকবার সেই হত্যার প্রতিশোধের কথা বলেছে।