অবশেষে প্রেম ‘স্বীকার’ দিশার, প্রেমিকসহ একই ফ্রেমে নায়িকা

হাজারো মানুষের ভিড়, আলো–শব্দে ভাসা এক রাত। কেউ গাইছে, কেউ উচ্ছ্বসিত। ঠিক সেই মুহূর্তেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে এক দৃশ্য, হাত ধরে হাঁটছেন দিশা পাটানি ও তালবিন্দর। কোনো লুকোচুরি নেই, কোনো অস্বস্তিও নয়। ছোট্ট সেই মুহূর্তই যেন স্পষ্ট করে দেয়, এ গল্প আর গুঞ্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

মুম্বাইয়ের লোলাপালুজা ইন্ডিয়ার ঝলমলে আয়োজন। মঞ্চে পারফর্ম করলেন পাঞ্জাবি সংগীতের জনপ্রিয় নাম তালবিন্দর। আন্তর্জাতিক শিল্পী কেহলানির সঙ্গে তাঁর পারফরম্যান্সে দর্শক তখন উচ্ছ্বসিত। গান শেষ, আলো নিভে আসে। শিল্পীরা অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে শুরু করেন। ঠিক তখনই ভিড় ঠেলে, নিরাপত্তার বেষ্টনী পেরিয়ে বেরিয়ে আসার সময় হাত ধরে হাঁটতে দেখা যায় দিশা ও তালবিন্দরকে।

এই প্রথম নয় যে তারা একসঙ্গে ধরা পড়লেন। কিন্তু এই প্রথম তারা আর লুকোলেন না।

এর আগের গল্প শুরু হয়েছিল চলতি মাসের শুরুতে, উদয়পুরে। বলিউড অভিনেত্রী নূপুর শ্যাননের বিয়ের অনুষ্ঠানে তখন বলিউড ও সংগীত জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। সেই ভিড়েই আলাদা করে নজর কাড়েন দিশা এবং তাঁর পাশের মানুষটি। তখনও অনেকের কাছেই রহস্য, কে তিনি?

দিশা পাটানি ও তালবিন্দর সিং। ছবি: সংগৃহীতরঙে আঁকা মুখ, আড়ালের পরিচয়, এটাই ছিল তালবিন্দরের পরিচিত স্টাইল। সেই আড়াল প্রথম সরে যায় নূপুরের বিয়ের একটি ভিডিওতে। দিশার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ দেখে থমকে যায় নেটদুনিয়া। শুরু হয় প্রশ্ন, কে তিনি? দিশার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী?

বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হলেও গুঞ্জন থামেনি। উদয়পুর থেকে মুম্বাই ফেরার সময় একই ফ্লাইটে দেখা যায় দুজনকে। পরে নূপুরের রিসেপশনেও একসঙ্গে উপস্থিত হন তারা। তবু তখনও কেউ কিছু বলেননি, কেউ কিছু স্বীকারও করেননি।

তারপর এলো সেই রাত, লোলাপালুজা।

হাত ধরে হাঁটার সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। কেউ বিস্মিত, কেউ রোমাঞ্চিত। একজন লিখলেন, ‘এবার আর সন্দেহ নেই। এটা যতটা বাস্তব হতে পারে, ততটাই বাস্তব।’ কেউ আবার দিশার অতীত সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তুললেন।

এখনও পর্যন্ত দিশা বা তালবিন্দর, কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা দেননি। নেই ইনস্টাগ্রাম পোস্ট, নেই কোনো বিবৃতি। কিন্তু সব প্রেম কি ঘোষণায় শুরু হয়?