চিরনিদ্রায় শায়িত প্রবীর মিত্র

আজিমপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা প্রবীর মিত্র। আজ বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়। 

এর আগে দুপুরে এফডিসিতে তাঁর প্রথম জানাজা এবং চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। অভিনেতাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এফডিসিতে এসেছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীসহ ভক্ত-অনুরাগীরা। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক আলমগীর, উজ্জ্বল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মিশা সওদাগর, ছটকু আহমেদ, খোরশেদ আলম খসরুসহ অভিনয়শিল্পীদের অনেকে। এফডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও প্রবীর মিত্রকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস), চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি, ফিল্ম ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন।

এফডিসিতে নানা সংগঠনসহ অভিনয়শিল্পরা প্রবীর মিত্রকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

রোববার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রবীর মিত্র। অনেকদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন তিনি। অক্সিজেন স্বল্পতাসহ বেশ কিছু জটিলতার কারণে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট কুমিল্লার চান্দিনায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবীর মিত্র। পুরান ঢাকায় তাঁর বেড়ে ওঠা। ১৯৬৯ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’র মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক করেনি তিনি। এটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে।

তাঁর অভিনীত সিনেমার মধ্যে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সেয়ানা’, ‘চাবুক’, ‘বড় ভালো লোক ছিল’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমিতা’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘অলংকার’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।