২০২৬ সালের অস্কার আসরে সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রী বিভাগে জয় পেয়েছেন যথাক্রমে মাইকেল বি জর্ডান ও জেসি বাকলি। দীর্ঘ জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম অস্কার ঘরে তুললেন জর্ডান। অন্যদিকে, পুরো পুরস্কার মৌসুমজুড়ে আলোচনায় থাকা জেসি বাকলিও প্রত্যাশিতভাবেই সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন।
সেরা অভিনেতা বিভাগে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল কয়েকজন শীর্ষ তারকার মধ্যে। শেষ পর্যন্ত লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও টিমোথি শ্যালামেকে পেছনে ফেলে বিজয়ীর মুকুট পরেন মাইকেল বি জর্ডান। রায়ান কুগলার পরিচালিত হররধর্মী সিনেমা ‘সিনার্স’-এ অভিনয়ের জন্য এই স্বীকৃতি পান তিনি। ছবিটিতে যমজ দুই ভাইয়ের দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন জর্ডান। সমালোচকদের মতে, শরীরী ভাষা ও কণ্ঠের সূক্ষ্ম ব্যবহারে দুই চরিত্রকে আলাদা সত্তা হিসেবে পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছেন তিনি।
অন্যদিকে, রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ ছবিটি এবারের অস্কারের অন্যতম আলোচিত সিনেমা। ছবিটি ১৬টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে একক চলচ্চিত্র হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাণিজ্যিকভাবে সফল এই ছবিতে ইতিহাস ও ধর্মীয় প্রতীকের সমন্বয় দর্শকদের কাছেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সেরা অভিনেত্রী বিভাগে জয় পেয়েছেন আইরিশ অভিনেত্রী জেসি বাকলি। ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার জিতেছেন তিনি। ছবিটিতে উইলিয়াম শেকসপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছেন বাকলি। বিশেষ করে সন্তান হারানোর শোকের অনুভূতি তিনি যেভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন, তা ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।
অস্কারের আগে গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা ও ক্রিটিকস চয়েজ পুরস্কারও জিতেছিলেন জেসি বাকলি। ভোগ সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কৈশোর থেকেই শিল্পচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকায় চরিত্রের চাহিদা বোঝা তাঁর জন্য সহজ ছিল। আলাদা প্রস্তুতির চেয়ে চরিত্রের ভেতরে নিজেকে বিলীন করার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।