আজ বিশ্ব হাতি দিবস। খাদ্য সংকট, সংকুচিত আবাসস্থল ও মানুষের নানা পদক্ষেপে পার্বত্য চট্টগ্রামে চরম অস্তিত্ব সংকটে এশীয় বন্য হাতি। গত এক বছরের ব্যবধানে রাঙামাটির বরকল ও লংগদুতে একটি বিরল গোলাপি হাতির শাবকসহ বয়স্ক হাতির প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
পাহাড়ের চিরসবুজ বনে এশীয় বন্য হাতির দল বেঁধে চলাচলের এমন দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়ালেও, বাস্তব চিত্র বেশ সংকটময়। বনের আয়তন কমে যাওয়া, খাদ্য সংকট ও বাসস্থান হারানোর পাশাপাশি মানুষের বিভিন্ন পদক্ষেপে প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে পড়ছে এই প্রাণী।
গত এক বছরে রাঙামাটির বরকলে বিরল প্রজাতির গোলাপি হাতি শাবক এবং লংগদুতে প্রায় ৬০ বছর বয়সী একটি পুরুষ হাতির মৃত্যুর জন্য উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন পরিবেশকর্মী ও স্থানীয়রা।
হাতির নিরাপদ আবাসের জন্য উপযোগী খাবার গাছ রোপণ, বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম বা ইআরটি সচলের জোর দাবি প্রাণীদের অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলোর।
এদিকে বন বিভাগ বলছে, চলতি বছর হাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বাগান, ফসল ও হতাহতদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৬২ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন চিরসবুজ বনে বর্তমানে মাত্র ১২টি এশীয় বন্য হাতি রয়েছে। অবিলম্বে এদের অভয়ারণ্য নিশ্চিত করা না গেলে পাহাড় থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে এই প্রাণী।