বালেন্সিয়াগা আর সার্ডিনকোরে নাতাশার ফ্যাশন বার্তা

নিউইয়র্কের কেরিং ফাউন্ডেশনের ‘কেয়ারিং ফর উইমেন ডিনার’-এ হাজির হয়েছিলেন নাতাশা পুনাওয়ালা। সাহসী আর জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকের জন্য যিনি বরাবর আলোচনায় থাকেন, সেই নাতাশাই এবার বেছে নিলেন একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিক। মিনিমালিজম আর খেয়ালি ট্রেন্ডের অনন্য মেলবন্ধন।

সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক ও সমাজসেবী নাতাশার গায়ে ছিল বালেন্সিয়াগা জ্যাকেট। কোমরে চওড়া বেল্ট, উরুর উপর পর্যন্ত স্লিট, অতিরঞ্জিত কলার আর ভলিউমিনাস হাতা। সব মিলিয়ে আধুনিকতার মধ্যে রূপকথার ছোঁয়া। ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের স্বচ্ছ পয়েন্ট-টো হিল, জ্যাকেমুসের ভাস্কর্যখচিত দুল আর আংটি তাঁর সাজে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা।

তবে পুরো সাজে সবচেয়ে চমক ছিল রূপালি স্টডাইন্‌স টিন ক্লাচ। টিকটকে ভাইরাল এই সার্ডিন গার্ল সামার বা সার্ডিনকোর এখনকার সবচেয়ে আলোচিত ট্রেন্ড। সার্ডিনের প্রিন্টে সাজানো এই ট্রেন্ড বিলাসবহুল ফ্যাশনের নতুন অধ্যায়। যেটির শুরু বোতেগা ভেনেতার ২০২২ সালের সার্ডিন ব্যাগ দিয়ে। নাতাশা তাঁর এই ব্যতিক্রমী পছন্দে আভিজাত্য ও খেয়ালিপনাকে একসঙ্গে মিলিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে তিনি কিছু ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা সীমান্ত, সংস্কৃতি বা সমাজের কোনো ভেদরেখা মানে না। বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজন নারীর একজন জীবনে সহিংসতার শিকার হন। আর প্রতি চারটি শিশুর একজন এমন পরিবারে বেড়ে ওঠে। যেখানে মা গৃহ-সহিংসতার শিকার।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ক্ষমতায়ন কেবল একটি শব্দ নয়। এটি নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বাধীনতার পথ। প্রয়োজনীয় সেবা ও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি চালানো সংস্থাগুলোকে সমর্থন করলে সহিংসতার চক্র ভাঙা সম্ভব। একসঙ্গে আমরা মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমতার পক্ষে দাঁড়াতে পারি।’

চিরাচরিত জাঁকজমক ছেড়ে এবার নাতাশা পোনাওয়ালা দেখালেন অন্যরকম এক দিক। যেখানে ফ্যাশন হলো শক্তির প্রকাশ। আর পোশাকের ভেতর দিয়েই তিনি পৌঁছে দিলেন সামাজিক বার্তা।