ছোট ঘর, অনেক জিনিসপত্র, কী করবেন?

মধ্যবিত্ত পরিবার যেন ছোট ফ্ল্যাটেই খুশি থাকেন। দুটি ছোট শোয়ার ঘর, একটি বসার ও খাবার ঘর আর ছোট একটি রান্নাঘর ও বারান্দা। এ সবকিছুর মধ্যেই সংসার গুছিয়ে নিতে পারেন মধ্যবিত্ত গৃহিণীরা। ফ্ল্যাট ছোট হলে কী হবে? বইপত্র, জামাকাপড়, বিছানাপাতি কোনা কিছুই কম নেই। এদিকে ঘরটিকেও রাখতে হবে সুন্দর। কিন্তু কীভাবে রাখবেন? জেনে নিন।

বেডরুমের পরিমাপের অনুপাতে আপনাকে কিনতে হবে আসবাব। বাজারে ফোল্ডিং বেড বা সোফা কাম বেড পেয়ে যাবেন। এগুলো দামেও বেশ কম। কিনে নিতে পারেন যেকোনোটি। ড্রেসিং টেবিলের বদলে দেওয়ালে বসাতে পারেন আয়না। আর তার দু’পাশে ছোট ছোট তাক লাগিয়ে নিন। সেখানে রাখতে পারেন প্রসাধনের জিনিস। ড্রেসিং টেবিলের এক চতুর্থাংশ দামেই সব হয়ে যাবে। আবার জায়গাও বেশি লাগবে না।

ঘরের এক পাশে খাট পাতুন। খাট কেনার আগে দেখে নেবেন যেন স্টোরেজ থাকে। তাতে প্রচুর জিনিসপত্র রাখতে পারবেন। ঘরে দেয়াল আলমারি করার সুবিধা থাকলে সেটি কাজে লাগান। তাহলে আলাদা করে আলমারি কিনতে হবে না। শুধু শক্তপোক্ত দুটি পাল্লা বসিয়ে নিলেই চলবে। এতে খরচ এবং জায়গা দু’ই বাঁচবে।

শোয়ার ঘরেই অনেকে পড়াশোনা বা অফিসের কাজ করেন। তাহলে ঘরে একগাদা আসবাব রাখার দরকার নেই। মডিউলার স্টোরেজকেই চেয়ার টেবিল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফোল্ডিং ডেস্কে লেখাপড়া করতে পারেন। কাজও হবে আবার জিনিসপত্রও রাখতে পারবেন ঠিকঠাক।

চেষ্টা করুন বেডরুমটিকে একটু খোলামেলা রাখতে। সেখানে যেন প্রাকৃতিক আলো বাতাস ভালোমতো ঢুকতে পারে। তাহলে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ খরচও বাঁচবে। রাতে জ্বালাতে পারেন সফট এলইডি লাইট। বেডরুমে ল্যাম্পশেড বা ঝাড়লণ্ঠন খুব ভালো মানায়। কিন্তু তাতে বেশ খরচ। তাই ছোট এলইডি টুনি লাইট দিয়েই ঘর সাজিয়ে নিতে পারেন।

ফেলে দেওয়া পিচবোর্ডের বাক্সে টুনি পেঁচিয়ে রেখে দিন। রাতে সেটি জ্বালান। দেখবেন কত সুন্দর লাগছে। শোবার ঘরের দেওয়াল সাজাতে ইচ্ছে হলে শৈশবের ছবি বা হাতে আঁকা ছবি বাঁধিয়ে রাখতে পারেন। অথবা বাংলার হস্তশিল্পের নানা শো-পিস দিয়ে দেওয়াল সাজাতে পারেন। এগুলির বেশ পকেট ফ্রেন্ডলি।