বর্ষায় ঘোরাঘুরির স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম মেঘালয়। ভারতের পূর্ব রাজ্যে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুন্দর জায়গা। আমাদের দেশ থেকে সিলেট ও ময়মনসিংহের সঙ্গে স্থল সীমান্ত আছে মেঘালয়ের। খুব সহজে যাওয়া যায় বলে অনেকে সুযোগ পেলেই ঘুরতে চলে যান এই মেঘালয়ে।
সংস্কৃতে মেঘালয় মানে মেঘ বা মেঘের আবাস। মেঘালয় পর্যটন স্থানটি তার সুন্দর পর্বতমালা, ভারী বৃষ্টিপাত, রোদেলা দিন, উচ্চ মালভূমি ও জলপ্রপাতের জন্য বেশ বিখ্যাত। এখানে ডাবল ডেকোর লিভিং রুট ব্রিজ, আরওয়াহ গুহা, লালং পার্কের মতো দারুণ সব জায়গা রয়েছে। এ ছাড়াও সুন্দর অনেক জায়গা আছে যেগুলো সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।
মাওসাওডং জলপ্রপাত: এটি দেনডো জলপ্রপাত নামেও পরিচিত। জায়গাটি খুব একটা পরিচিত না হলেও, বেশ সুন্দর। সোহরা জেলার মাওকামা গ্রামে অবস্থিত এই জলপ্রপাতটি। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এই জায়গাটিতে পর্যটকদের ভিড় অনেকটাই কম। আপনি যদি নিরিবিলি কোনো জায়গায় যেতে চান, তবে এখানে ঘুরে আসতে পারেন।
মাওলংবনা গ্রাম: মেঘালয়ে ঘুরে দেখার জন্য মাওলিংবনা গ্রাম হতে পারে অন্যতম সেরা অফ বিট জায়গা। এই গ্রামটি পূর্ব খাসি এলাকার পার্বত্য জেলায় অবস্থিত। এই জায়গাটি ২০০ মিলিয়ন বছরের পুরনো জীবাশ্মের জন্য বেশ পরিচিত। এ ছাড়া বেশ সুন্দর বনাঞ্চলও রয়েছে গ্রামটিতে।
কংথং গ্রাম: এই কংথং গ্রাম মেঘালয়ের সবচেয়ে গোপন এবং রহস্যময় স্থানগুলির মধ্যে একটি। পূর্ব খাসি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি শিলং থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জায়গাটি নিঃসন্দেহে সুন্দর। প্রকৃতি উপভোগ করতে চাইলে, সেখানে আপনাকে যেতেই হবে।
সোহখমি: অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে মেঘালয়ের অন্যতম একটি জায়গা। সোহরা মালভূমির ঢালে অবস্থিত এই সুন্দর গ্রামটি। আপনি যদি ট্রেকিং করতে চান, তাহলে এই গ্রামটিতে যেতেই পারেন। এই ট্রেলিং কুটামদান গ্রাম থেকে শুরু হলে সেটি আপনাকে নিয়ে যাবে প্রেসবিটারিয়ান চার্চ পর্যন্ত।
ওয়েই সাওডং জলপ্রপাত: মেঘালয়ে অনেক জলপ্রপাত রয়েছে। কিছুটা কম পরিচিত হলেও সুন্দর তিন স্তর যুক্ত জলপ্রপাত হল ওয়াই সাওয়াডং। এটি মেঘালয়ের রাজধানী শিলং থেকে প্রায় ৬০ কিলো মিটার দূরে অবস্থিত। আর ট্রেকারদের জন্যও একটি উপযুক্ত জায়গা।