শিলাস্তি-তানভীরের পর দায় স্বীকার করে শিমুলের জবানবন্দি

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় শিলাস্তি রহমান ওরফে শেলেষ্টি, তানভীর ভুঁইয়ার পর আসামি শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ বুধবার রিমান্ড শেষে শিমুল ভুইঁয়াকে আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। শিমুল ভুঁইয়া স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এই মামলায় শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ, তানভীর ভুইঁয়া ও সিলিস্তা রহমান প্রথম দফায় ৮ দিনের রিমান্ড শেষে দ্বিতীয় দফায় ৫ দিনের রিমান্ডে ছিলেন। গত সোমবার শিলাস্তি রহমান এবং মঙ্গলবার তানভীর ভুঁইয়া একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত ২২ মে আনোয়ারুল আজীমের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার গত ১২ মে ভারতে যান চিকিৎসার কথা বলে। ১৩ মে থেকেই তিনি নিখোঁজ। এরপর ২২ মে খবর আসে  কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটে খুন হন তিনি। 

ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে  কলকাতা ও  ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। যৌথ অভিযানে নামে দুই দেশের পুলিশ। অবশেষে নিখোঁজের ১৫ দিন পর ঘটনাস্থল সঞ্জীবা গার্ডেনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হলো কিছু মাংস।

আনোয়ারুল আজীম ঝিনাইদহ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।