প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত: ববি হাজ্জাজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য জস্থগিত রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। নতুন করে নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদায়নের কাজ শেষ হলে তা আবার চালু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ এসব তথ্য জানান। ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।  

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী বছর সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড–ডে মিল চালু করবে সরকার। এ ছাড়া কিন্ডারগার্টেন তদারকিতে আসছে নীতিমালা, নির্ধারণ হবে ন্যূনতম মানদণ্ড। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ শিক্ষার সুযোগের বাইরে থাকবে না, কেউ সাক্ষরতার আলো থেকে বঞ্চিত থাকবে না এবং শিক্ষা ও দক্ষতার মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিককে জাতীয় উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন করে নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদায়নের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমের স্থগিত প্রত্যাহারের পর নতুন করে যখন বদলি শুরু হবে তখন বিদ্যামান নীতিমালা থাকবে না নতুন করে হবে তা পরে ঠিক করা হবে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, আগামী বছর থেকে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার। 

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমানে প্রায় ৩৫ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন। পিএসসির মাধ্যমে এই বিশাল নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করা সময়সাপেক্ষ। তাই ‘ওয়ান অফ’ পলিসি গ্রহণ করা যায় কি না, তা নিয়েও ভাবছে সরকার।’’ 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের কিন্ডারগার্টেনসহ প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ধরনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের তদারকির আওতায় আনতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ নীতিমালায় এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে।