মন্ত্রিসভা বৈঠকে নবম পে–স্কেল প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে সচিবালয়ের নতুন এক নম্বর ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নবম পে–স্কেল ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে এ সুখবর এল।
সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নসিমুল গণি বলেন, ‘সরকারি চাকরির ২০টি গ্রেডের মধ্যে সর্বনিম্ন গ্রেডের চাকুরেদের জন্য ১৪২ শতাংশ ও সর্বোচ্চ স্তরে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত ১০০ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে। ১২ তম গ্রেডের বেতন বেড়েছে ১১৫ শতাংশ। এভাবে নিচের গ্রেডগুলোর জন্য আরও বেশি বাড়ানো হয়েছে, যা এই উপমহাদেশে সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির হার বেশি।’
বর্তমানে যারা পেনশন পাচ্ছেন তাদের ব্যাপারেও বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
আজ বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গঠিত ‘বেতন ও চাকরি কমিশন, ২০২৬’ এবং সচিব কমিটির সুপারিশের আলোকে নতুন বেতন স্কেল ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই ২০২৬ থেকেই নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। তবে সরকারি বাজেটের ভারসাম্য রক্ষায় এই সুবিধা ধাপে ধাপে বা ভেঙে ভেঙে বকেয়াসহ পরিশোধ করা হবে।
মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর এখন সরকারি চাকরিজীবীদের মূল দৃষ্টি প্রজ্ঞাপনের দিকে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, অনুমোদন পাওয়ার পর নতুন বেতন কাঠামোর সরকারি গেজেট ও প্রজ্ঞাপন জারির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হচ্ছে। আগামী ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।



