বিএনপি–জামায়াতের কাছে প্রশ্ন সাধারণ জনগণ কি দোষ করেছে: তথ্যমন্ত্রী

চলমান অবরোধে যানবাহনে দেওয়া আগুনে দগ্ধদের দেখতে গিয়ে বিএনপি–জামায়াতের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি–জামায়াতের কাছে প্রশ্ন সাধারণ জনগণ কি দোষ করেছে?  তাদের কেন পেট্রোল মেরে দগ্ধ করা হচ্ছে। এই অপরাধের কোনো উত্তর বিএনপি–জামায়াতের কাছে নেই।’

মঙ্গলবার দুপুরে অবরোধে দগ্ধদের দেখতে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

ক্ষমতাসীন দলের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি–জামায়াত দেশে যে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে সেটা ১৯৭১ সালের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। কেন তারা সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করবে?’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বিএনপি–জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে কীভাবে অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইউনিটে কাতরাচ্ছে। ঠিক একই কায়দায় তারা ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে মানুষের উপর আক্রমণ করেছিল, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছিল ঠিক একই কায়দায় তারা মানুষ ও যানবাহনের উপরে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করছে। তারা যে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে নির্মমতা নিষ্ঠুরতা ও হিংস্রতা এই শব্দগুলো বাংলা ভাষায় তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। কীভাবে অসহায় মানুষদের পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখানে দগ্ধ যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের মধ্যে গাড়ির চালক, হেলপার, রিকশাচালক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মজীবী মানুষ রয়েছে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এখানে যারা চিকিৎসাধীন তারা কেউই শংকামুক্ত নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা তাদের খোঁজখবর নিতে এসেছি। এখানে যারা অগ্নিসন্ত্রাসের দগ্ধ হয়েছেন তাদের চিকিৎসার ব্যয় সরকার বহন করবে।’ 

দলের পক্ষ থেকেও তাদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে বিভিন্ন সময় বাসে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় ৫ জন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন। তারা হলেন- বাসের সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেন (২৮), বিমানের পরিচ্ছন্নতাকর্মী রবি দাস (২৫), বাসচালক মো. সবুজ (৩০), রিকশাচালক মোহাম্মদ জব্বার (৪৫) ও বিমানকর্মী মানিক দাস (৪৫)।