কাতারের বাংলাদেশ স্কুল ও কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

কাতারে বাংলাদেশের পতাকাবাহী একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মাশহুর উল হক স্মৃতি উচ্চ ও মহাবিদ্যালয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকালে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণ শেষে চার হাউজের বালক-বালিকা গ্রুপে বর্ণিল ইতিহাসের সাক্ষী আটটি দেয়াল পত্রিকার মোড়াক উন্মোচন হয়েছে। 

মহান এ দিবসে উপস্থিত হওয়ার ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গভর্নিং বডির সদস্য ও অভিভাবক সদস্যদের স্বাগত জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.টি.এম. আসাদুজ্জামান। সংক্ষেপে একুশের রক্তরাঙা ইতিহাস, আমাদের জীবনে একুশের প্রভাব, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে প্রবাসীদের অবদান ও ভবিষ্যতে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন গভর্নিং বডির সদস্য ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.কে.এম. আমিনুল হক।

গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হযরত আলী খানের প্রতিনিধি দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান ওয়ালিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে বাংলার পাশাপাশি বাংলাভাষী হিসেবে বিশ্বের দরবারে আমরাও সম্মানিত হয়েছি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদী শহীদদের রক্তদানের মধ্যদিয়ে আমরা বীরের জাতি হিসেবে আজ স্বীকৃত। দেশের জন্য প্রাণদানকারী সকল কালের সকল শহীদদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান মোহাম্মদ ওলিউর রহমান ও ডিফেন্স এটাচি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরদার ইশতিয়াক আহমদ আটটি দেওয়াল পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। মেয়েদের বিভাগে আন্তঃহাউজ দেয়াল পত্রিকা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় যমুনা হাউজ আর রানার্সআপ হয় মেঘনা হাউজ। ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয় করতোয়া হাউজ আর রানার্সআপ হয় পদ্মা হাউজ।

ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটে।

পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ তাফসির উদ্দিন।