চন্ডিকা হাথুরুসিংহে কোচ হয়ে আসার পর ছয় ও সাত নম্বরে যাঁদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে, তাঁদের কেউ পরীক্ষায় পাস করে গেলে হয়তো বিশ্বকাপ দলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের থাকাই হতো না। বিশ্বকাপে গেলেও কতটা সুযোগ পাবেন মাহমুদউল্লাহ, তা নিয়ে সংশয় আছে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে ৪৯ ও ২১ রানের দুই ইনিংসের পর দুই প্রস্তুতি ম্যাচের একটিতে ফিফটি বলে, মাহমুদউল্লাহ প্রস্তুত।
অবশ্য এভাবে কখনো দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ আর কখনো দলে জায়গা নিয়েই টানাটানি পড়ে যাওয়া মাহমুদউল্লাহর ক্যারিয়ারেরই নিয়মিত চিত্র। ২০১৪ এশিয়া কাপে জায়গা পাননি ফর্ম হারিয়ে, ২০১৫ বিশ্বকাপে ফিরেছেন নিজেকে প্রমাণ করে। এবার ৩৭ বছর বয়সে আরেকবার বিশ্বকাপ দলে ফেরা মাহমুদউল্লাহ কি পারবেন সাকিব আল হাসানের দলের সাত নম্বরে আলো ছড়াতে?
ওহ, হ্যাঁ, তাঁর অফ স্পিনটাও একেবারে ফেলনা তো নয়!
ভূমিকা: অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার
ম্যাচ: ২২১
ইনিংস: ১৯২
রান: ৫০২০
গড়: ৩৫.৩৫
স্ট্রাইক রেইট: ৭৬.০৪
সর্বোচ্চ: ১২৮*
১০০/৫০: ৩/২৭
উইকেট: ৮২
ইকোনমি: ৫.২১
বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স
ম্যাচ: ১৭
রান: ৬১৬
সর্বোচ্চ: ১২৮*
গড়: ৫১.৩৩
স্ট্রাইক রেইট: ৮১.৫৮
১০০/৫০: ২/২
উইকেট: ৪
সেরা: ১/৩০