পাকিস্তানি বোলিং যেন হায়দরাবাদের বিরিয়ানি মনে হচ্ছিল কুশল মেন্ডিসের

প্রথম ম্যাচে চার শ ছাড়ানো লক্ষ্য পেয়েও ভড়কাননি কুশল মেন্ডিস। দুই শ ছাড়ানো স্ট্রাইক রেটে পিটিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের। সেটা যে বিচ্ছিন্ন কিছু ছিল না, সেটা প্রমাণ করলেন আজ। পাকিস্তানি বোলারদের পিটিয়ে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন মেন্ডিস।

বিশ্বকাপের আগে হায়দরাবাদের বিরিয়ানি নিয়ে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল বাবর আজমদের কাছে। কিন্তু আজ পাকিস্তানি বোলারদেরই যেন গিলে খাচ্ছিলেন মেন্ডিস। মেন্ডিসের ৭৭ বলে ১২২ রানের ইনিংসের পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাদিরা সামারাবিক্রমাও। শ্রীলঙ্কাও হায়দরাবাদে ৯ উইকেটে ৩৪৪ রান তুলেছে।

গত ম্যাচে ব্যর্থ কুশল পেরেরা তবু ৭ রান করেছিলেন। আজ ৪ বলে শূন্য রানে ফিরেছেন। ৫ রানে প্রথম উইকেটের পতনের পর কম রানে গুটিয়ে যেতে পারত শ্রীলঙ্কা। পাথুম নিশাঙ্কাকে নিয়ে প্রথমে ভিত গড়েছেন মেন্ডিস, তবে বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই। পাওয়ার প্লেতে ৫৮ রান ওঠার পর হঠাৎ গতি পাল্টান, সঙ্গীকে এক পাশে রেখে তাণ্ডব চালিয়েছেন কুশল মেন্ডিস।

ফিফটিতে আগে পৌছেছেন নিশাঙ্কা, তবে একটু পরই ৪০ বলে ফিফটি পেয়ে যান মেন্ডিস। ৬১ বলে ৫১ রান করে পরের ওভারেই ফিরে যান নিশাঙ্কা। তখনো বোঝা যায়নি সামনে কী হতে যাচ্ছে। ১৭তম ওভারে ১০০ পেরোনো শ্রীলঙ্কা ২০০ ছুঁয়েছে ১১ ওভার পরই। এর মধ্যেই ৬৫ বলে সেঞ্চুরি মেন্ডিসের। ৭০ বলে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরির কুমার সাঙ্গাকারার রেকর্ডটি ভাঙার পরও ছুঁটছিলেন।

কিন্তু ২৯তম ওভারে হাসান আলীর বলে থামে তাঁর ইনিংস। ৭৭ বলে ১৪ চার ও ৬টি ছক্কা ছিল তাঁর। অর্থাৎ প্রতি ৪ বলে অন্তত একটি বাউন্ডারি।

৮ বলের মধ্যেই আসালাঙ্কাকেও হারায় শ্রীলঙ্কা। ৩০ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান অবশ্য ততক্ষণেই ২২৯। অন্য প্রান্তে আর কেউই সঙ্গ দিতে পারেননি, কিন্তু সাদিরা একাই টেনে নিয়েছেন লঙ্কানদের ইনিংস। ৮২ বলে সেঞ্চুরি করা সাদিরা ৪৮তম ওভারে আউট হন ১০৮ রানে।