সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন কুইন্টন ডি কক। প্রথম দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে পরের দুই ম্যাচে তেমন কিছুই করতে পারেননি, ফলে আশা ছিল, হয়তো আজও 'বাজে ফর্ম'টা আরেকটু দীর্ঘায়িত হবে। কিন্তু সেটা হয়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০৯ বলে ১০৬ রান করেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ৩৭ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৮ রান।
সাম্প্রতিক সময়ে অফস্পিনারদের বিপক্ষে একটু দুর্বল তিনি, সে কারণেই কি না, শুরু থেকে ডি ককের বিপক্ষে মেহেদি হাসান মিরাজকে 'লেলিয়ে' দিয়েছিলেন সাকিব। এমনকি ২০ তম ওভারে থেকে কয়েক ওভার হাত ঘুরিয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহও। কিন্তু লাভ হয়নি। ডি কক খেলেছেন তাঁর মতোই। সঙ্গী হিসেবে প্রথমে পেয়েছেন এইডেন মার্করামকে, পরে এসেছেন হাইনরিখ ক্লাসেন।
বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল। ষষ্ঠ ওভারে রিজা হেনড্রিকস (১২) বোল্ড হয়ে গেছেন শরীফুলের বলে, অষ্টম ওভারে মিরাজের বলে এলবিডাব্লিউ র্যাসি ফন ডার ডুসেন (১)। তখন তো মনে হচ্ছিল, বুঝি বাংলাদেশ 'নেদারল্যান্ডস' হয়ে উঠছে!
কিন্তু ডি কক আর মার্করাম সে রোমাঞ্চ মিলিয়ে দিয়েছেন আস্তে আস্তে। মাঝখানে সাকিব এসে মার্করামকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে আউট করলেও, সে উইকেটের পর দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেপে ধরতে ব্যর্থ বাংলাদেশ। রানের চেয়েও হতাশার ব্যাপার, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ব্যাটসম্যানকে ভোগাতেই পারছেন না বাংলাদেশের কোনো বোলার। মারার বল পেলেই চার-ছক্কা মারছেন, আর তা না পেলে অনায়াসে গ্যাপ খুঁজে নিয়ে সিঙ্গেল চলছেই! শেষ ১৩ ওভারে তাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে এখনও জমা আছে ৭ উইকেট। হাইনরিখ ক্লাসেন অপরাজিত ১৯ বলে ২৪ রান করে।
শেষের ওভারগুলিতেই রানের গতি অসম্ভব বাড়িয়ে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। আজও কি তাই হচ্ছে?