বিশ্বকাপে টিকে থাকতে আজ কানাডার বিপক্ষে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। এমন ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করে ফেলেছেন বাবর আজম। টস জিতেছেন এবং ফিল্ডিং বেছে নিয়েছেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অ্যারন জনসনের দুর্দান্ত ফিফটিতে ১০৬ রান করেছে কানাডা।
ম্যাচের প্রথম বলেই নিজের উদ্দেশ্য জানিয়ে দিয়েছেন জনসন। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে চার মেরেছেন, পরের বলে আবার চার! প্রথম ওভারে এসেছে ১১ রান। কিন্তু অন্য প্রান্তে কেউ দাঁড়াতে পারছিলেন না। মোহাম্মদ আমিরের নিয়ন্ত্রণ ও সুইং সমালাতে পারেননি নবনিত ঢালিবাল। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই পরগাত সিংও আউট।
পরের ওভারেই রান আউট হয়ে যান আগের ম্যাচের নায়ক নিকোলাস কার্টন। প্রথম ওভারে ১৩ রান দেওয়া হারিস রউফ নিজের দ্বিতীয় ওভারে তিন বলের মধ্যে দুই উইকেট নিলে ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় কান্ডা। কিন্তু স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ছিলেন জনসন।
৪ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ৩৯ বলে ফিফটি করা জনসন দলকে ১২০রান পার করার আশা দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু নাসিম শাহর বল জায়গা করে মারতে গইয়ে বোল্ড হন ৫২ রান করা জনসন। দলের রান তখন ৭৩। ইনিংসের তখনো বাকি ৩৯ বল।
কিন্তু উইকেটে টিকে থাকাই তখন কঠিন। এ অবস্থায় অধিনায়ক সাদ বিন জাফরও টিকে থাকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ৮৭ রানে ফিরে যান তিনি।
তবে দুই পেসার কলিম সানা ও ডিলন হেলিগার বাকি ১৯ বল থেকে ঠিক ১৯ রান এনে দিয়েছেন। নিউইয়র্কের উইকেট বিবেচনায় এ রান নিয়েও লড়াই করা সম্ভব। তবে কানাডার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ১২৫ রান করেছিল। এ তথ্যটাই পাকিস্তানের সাহসের জায়গা।