৮ চার, ৩ ছক্কা- ৩৩ বলে ৬৫, এই তামিমের অপেক্ষাতেই ছিলেন সবাই

২১৯ দিন পর মাঠে ফিরে গতকাল হতাশ করেছিলেন তামিম ইকবাল। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে ফেরার সম্ভাবনা যখন উঠছে, তখন জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে মাত্র ১৩ রান করে ফিরে গিয়েছিলেন চট্টগ্রামের ওপেনার।

আজ সে হতাশা ভুলিয়ে দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক। ঝোড়ো এক ফিফটিতে মনে করিয়ে দিয়েছেন পুরোনো তামিমের কথা।

সিলেট অ্যাকাডেমি মাঠে ম্যাচের পরিধি ১৫ ওভারে নেমে এসেছে। তাই নেমেই ঝড় তুলেছেন তামিম ও তাঁর ওপেনিং সঙ্গী মাহমুদুল হাসান জয়। আগের দিন শুরুতেই স্পিনে তামিমের আউট হওয়াতেই হয়তো জাতীয় দলের তিন পেসার সমৃদ্ধ দলটি অফ স্পিনার নাঈম আহমেদের হাতে বল তুল দিয়েছিল।

কিন্তু সে ফাটকা কাজে লাগেনি। নাঈম কোনো উইকেট তো পাননি, উলটো প্রথম ওভারে দিয়েছেন ১৪ রান। খালেদ আহমেদ আবু জায়েদ রাহি এবং ইবাদত হোসেনরাও ব্যর্থ। ৪ ওভার শেষেই ৪৯ রান পেয়ে যায় চট্টগ্রাম। ৬ ওভারে যা দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৭৬।

সপ্তম ওভারে ছন্দপতন। ১৭ বলে ২৯ রান করা জয়কে আউট করার পাশাপাশি মাত্র ৪ রান দিয়েছেন ইবাদত। শুরুতে জয়ের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও ততক্ষণে প্রায় দুই শ স্ট্রাইকরেটে ৪৭ রান তামিমের।

মাহফুজুর রাব্বির পরের ওভারের চতুর্থ বলে চার মেরে ফিফটিতে পৌঁছালেন। ২৭ বলে ফিফটি। পরের দুই বলে আরও দুই ছক্কা।

এরপরই চট্টগ্রাম ইনিংসে একটা ধস। টানা দুই ওভারে দুই সঙ্গী হারালেন তামিম। অধিনায়ক ইয়াসির রাব্বি (১) ও সাজ্জাদুল রিপনের (৪) বিদায়ের পর টানা তৃতীয় ওভারে উইকেটের পতন হলো। এবার তামিম নিজেই ফিরে গেলেন। ৩৩ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি শেষ হলো ৬৫ রানে। ১১তম ওভারের শুরুতে ১০৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারানো চট্টগ্রামের ইনিংস এরপর গতি হারিয়েছে শুধু।

নির্ধারিত ১৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করেছে চট্টগ্রাম।