বিশ্বকাপে সময়টা ভালো যাচ্ছে না বাবর আজমের। পাকিস্তানের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান নামিবিয়ার বিপক্ষে তো ব্যাটিংই পাননি। গতকাল পাকিস্তানের ৩ উইকেট চলে গেলেও সব সময় ৪ নম্বরে খেলা বাবরকে ব্যাটিংয়ে নামাননি কোচ। এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচে মাত্র ৬৬ রান করেছেন বাবর, হাইভোল্টেজ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে করেছেন মাত্র ৫ রান।
বাবরের এমন অফ ফর্মে চটেছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। টি-টোয়েন্টিতে বাবরকে বাদ দিতে অনেক আগেই পরমার্শ দিয়েছিলেন সাবেক নির্বাচক মোহাম্মদ ইউসুফ। তবে এমন পরামর্শ দিয়েই উল্টো বিপদে পড়েছিলেন তিনি। এক পডকাস্টে পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার জানিয়েছেন, বাবরকে টি-টোয়েন্টি থেকে বাদ দিতে বলায় তার বিপক্ষে সবাই চলে গিয়েছিল এবং তিনি এই কারণে পদত্যাগ করেছিলেন।
টি-টোয়েন্টিতে বাবর আজমের ব্যাটিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইউসুফ। ‘হাউ ডাজ ইট ওয়ার্ক’ পডকাস্টে সাবেক এই নির্বাচক বলেন, ‘আমি গত ২-৩ বছর ধরে বলছি যে বাবরের টেকনিক পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আমি শুনে আসছি যে ও ফর্মে নেই, কিন্তু আসলে তা নয়। একজন খেলোয়াড় দুই-তিনটি সিরিজ পর্যন্ত অফ ফর্ম থাকতে পারে, কিন্তু ও গত দুই-তিন বছর ধরে রান করতে পারছে না। আমি যখন বাবরকে বিশ্রাম (টি-টোয়েন্টি থেকে বাদ) দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম, তখন হঠাৎ সবাই আমার বিপক্ষে চলে যায়। এই কারণেই আমাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পরে তাকে কয়েকটি সিরিজের জন্য দল থেকেও বাদ দেওয়া হয়।’
পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার মনে করেন বাবর আজমের খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই তার দক্ষতা যে টি-টোয়েন্টিতে সীমিত তা নিয়ে কথা বলছে না। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘মানসিকতার মন্ত্র খুব ভুলভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। দক্ষতা না থাকলে ভেতর থেকে কিছুই করতে পারবেন না। যদি দক্ষতা না থাকে, তাহলে আপনার মানসিকতা দিয়ে কী হবে?’
সুপার এইটে পাকিস্তানের পরবর্তী ম্যাচ আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে বাবর আজমের বদলে একাদশে ফখর জামানকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।