বিশ্বকাপ চলাকালীন পাকিস্তানের পেসার সালমান মির্জার বিরুদ্ধে নারী হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। পাকিস্তানের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হতেই সালমান মির্জার এমন কাণ্ডের অভিযোগ এনে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন পাকিস্তানি এক সাংবাদিক।
সেই প্রতিবেদনকে মানহানিকর ও মিথ্যা দাবি করে আজ সাংবাদিককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জা।
বিশ্বকাপ চলাকালে শ্রীলঙ্কায় টিম হোটেলে এক নারীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদটি “মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর” দাবি করে পাকিস্তানের গণমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ ও ক্রীড়া সাংবাদিক শাহিদ হাশমিকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সালমান।
বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বাঁহাতি পেসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কেন আইনি নোটিশ পাঠালেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার, কি ছিল সেই প্রতিবেদনে?
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের সুপার এইট পর্বের শেষ ম্যাচের আগে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডির একটি হোটেলে এই ঘটনা ঘটে। সেখানে এক নারী কর্মী (হাউসকিপিং) হেনস্তার অভিযোগ এনে হোটেলের আলার্ম বাজান এবং হোটেলের অন্য কর্মীরা এতে হস্তক্ষেপ করেন। পরে বিষয়টি পাকিস্তান দলের মিডিয়া ম্যানেজারকে জানানো হয় বলেও সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন সালমান। তিনি এই প্রতিবেদনকে ‘সস্তা সাংবাদিকতা’ বলে অভিহিত করেন।
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সালমান মির্জা লেখেন,‘মিডিয়ায় একটি হাস্যকর খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং আমি এই ধরনের সস্তা সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা জানাই। কোনো মিডিয়া হাউস(গণমাধ্যম) যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর প্রচার করতে পারে না।’
সালমান তার পোস্টে সাংবাদিক শাহিদ হাশমি এবং সংবাদমাধ্যমের নাম উল্লেখ করেন এবং পাকিস্তান সরকারকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানান।
যদিও এর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়। বোর্ড সাংবাদিককে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার এবং খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া খবর প্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানায়।