নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেছে লাহোর কালান্দার্স। পাকিস্তানি পেসারের বিপক্ষে মূল অভিযোগ, খেলোয়াড়দের হোটেল রুমে অননুমোদিত ব্যক্তিকে প্রবেশ করার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।
এ ঘটনায় জরিমানা করলেও মোস্তাফিজুর রহমানের দল লাহোরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অতিরঞ্জিতভাবে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মূল ঘটনাটি গত ২৮ মার্চের। করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগের রাতে টিম হোটেলের কক্ষে চার বন্ধুকে নিয়ে গিয়েছিলেন সিকান্দার রাজা। দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ওই চারজনকে হোটেলে নেওয়ার ব্যাপারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন রাজা, তবে পিসিবি কিংবা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছিল।
অভিযোগ ওঠে, সেই নির্দেশ অমান্য করে শাহিন আফ্রিদির সহায়তায় ওই চার বন্ধুকে হোটেল কক্ষে নিয়ে যান রাজা। জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডার ৪০ মিনিটের কথা বললেও কক্ষে তাঁরা ৩ ঘণ্টা হোটেলে অবস্থান করেছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে নিজ উদ্যোগেই তদন্ত শুরু করে লাহোর। ‘স্বেচ্ছা ও স্বপ্রণোদিত’ তদন্তের পর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি শাহিন আফ্রিদিকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়। শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় লাহোর।
জরিমানার বিষয়ে এক বিবৃতিতে লাহোর জানায়, ‘শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতের স্বার্থে, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি স্বেচ্ছায় ও স্বপ্রণোদিতভাবে শাহীন শাহ আফ্রিদির সম্পৃক্ততার কারণে তাকে ১০ লাখ রুপি জরিমানা করেছে। একই সঙ্গে, লাহোর কালান্দার্স বিষয়টি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে পাঠিয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ— এজন্য তাদের প্রচেষ্টার প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তারা (শাহিন ও রাজা) জানিয়েছে, এটা ইচ্ছাকৃত নিয়ম ভঙ্গের কোনো চেষ্টা ছিল না, বরং ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে। তবুও লাহোর কালান্দার্স সব নিরাপত্তা প্রটোকলের প্রতি পূর্ণ সম্মান ব্যক্ত করেছে।’