বিসিবিতে সর্বোচ্চ পদে নড়চড়

ফারুক ৯ মাস, বুলবুল ১০ মাস…এবার তামিমের পালা

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে বিসিবিতে রদবদলের শুরু ফারুক আহমেদের হাত দিয়ে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে ফারুক চেয়ারে টিকতে পেরেছেন নয় মাস। আট পরিচালকের অনাস্থায় ফারুক আহমেদকে সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে বিসিবির সর্বোচ্চ পদে বসানো হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে।

দায়িত্ব পেয়ে দ্রুত টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলার ঘোষণা দেন আমিনুল ইসলাম। যদিও পরে সেই ইনিংস লম্বা হয়। নির্বাচনে অংশ নিয়ে আবারও বিসিবি সভাপতি হন বুলবুল। তার আগে নির্বাচনে অস্বচ্ছতা, অনিয়মের মতো অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সভাপতি পদপ্রার্থী তামিম ইকবাল।

এর মধ্যে আবার ঘটে গেল রাজনৈতিক পালাবদল, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে জিতে অন্তর্বর্তী সরকারের হাত থেকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব বুঝে নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। নির্বাচনের দুই মাস না যেতেই আবারও বিসিবিতে বড়সড় পরিবর্তন। গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পরিচালক পর্ষদ বাতিল করে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সভাপতি হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দশ মাসের অধ্যায় শেষ হয়ে গেল এর মধ্য দিয়ে।  

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আগের পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের সঙ্গে সঙ্গেই ১১ সদস্যের এ্যাডহক কমিটিও গঠন করে দিয়েছে। যার প্রধান হিসেবে আছেন তামিম ইকবাল।

এ্যাডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস। এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে বিসিবিতে দেখা মিলবে নতুন পরিচালনা পর্ষদের। ততদিন পর্যন্ত কিভাবে চলে বোর্ড, সেটাই দেখার। তামিমরা আবার বুলবুলের মতো করে নির্বাচনে নেমে পাকাপাকিভাবে নির্বাচনে নেমে পড়েন কি না, সেটাও আলোচনার খোরাক জোগাবে।