লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই জীবন পেয়েছিলেন তানজিদ তামিম। প্রথম ওভারে এই বাঁহাতি ওপেনারের ক্যাচ ফেলে দেন ইশ সোধি। তবে তামিম জীবন পেলেও পাওয়ার প্লেতে দ্রুত ফিরেছেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। ষষ্ঠ ওভারে নাথান স্মিথের বলে মাত্র ১০৬ স্টাইক রেটে ১৭ রান করে ল্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ।
পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৪৪ রান তোলে বাংলাদেশ। তবে মাঝ ওভারে লিটন দাস আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে রানার গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ২ চার ১ ছক্কায় শেষ পর্যন্ত অল্পতেই থামেন লিটন। নবম ওভারে ইশ সোধির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়ে ফেরেন ১৫ বলে ২১ রান করা লিটন।
দলের অধিনায়কের বিদায়ের পর দ্রুত ফিরেছেন শুরুতে জীবন পাওয়া ওপেনার তামিম। ইশ শোধির স্পিনে ১১তম ওভারে বড় শট খেলতে লং অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২৫ বলে ২০ রান করা তামিম।
দলীয় ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও ক্রিজে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ ফেরান পারভেজ হোসেন ইমন। ১১তম ওভারেই তাওহীদ হৃদয় ও ইমনের ব্যাটে ২ ছক্কা ও ১ চারে আসে ১৮ রান। ১২তম ওভারে দলীয় এক শ রান পার করে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১১৮ রান।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে কাটেনে ক্লার্ক ও ডিন ক্লিভারের ফিফটিতে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড।