দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মার্চের শেষ দিনে আল তাইয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। আল-আহলির বিপক্ষে পরের ম্যাচে প্রথমার্ধেই করেছেন হ্যাটট্ট্রিক। সৌদি সুপার কাপের সেমিফাইনালে আল হিলালের বিপক্ষে ম্যাচ উপলক্ষে দামাকের বিপক্ষে মূল একাদশে রাখা হয়নি তাঁকে।
বিশ্রাম পেয়ে কোথায় ফর্মে ফিরবেন, উলটো রোনালদো গতকাল আল নাসরের জন্য হয়ে উঠেছেন হতাশার কারণ। তাঁর কারণে একটি গোল বাতিল হয়েছে দলের, নিজে মেজাজ হারিয়ে দেখেছেন লাল কার্ড। দলও হেরে বসেছে, মৌসুমের আরেকটি শিরোপা হয়েছে হাতছাড়া।
রোনালদো যোগ দেওয়ার পর আল নাসর যেমনই খেলুক না কেন, আল হিলালের সামনে পড়লেই ভরাডুবি হচ্ছে দলটির। কাল ভিন্ন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছিল। প্রথমার্ধের শেষভাগে গোল করেছিলেন মিডফিল্ডার ওতাভিও। কিন্তু সে গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডের কারণে।
বল যখন বক্সে পাঠানো হয়েছিল, তখন রোনালদো সে বল ধরার চেষ্টা করেন, কিন্তু পর্তুগিজ স্ট্রাইকার ব্যর্থ হন তা ধরতে। বল চলে যায় ওতাভিওর কাছে। পর্তুগিজ মিডফিল্ডার গোল করলেও রোনালদো বল ধরার চেষ্টা করার সময় অফসাইডে থাকায় গোল বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে রোনালদোর হতাশা বাড়িয়েছে আল হিলাল। ৬১ মিনিটে গোল করেন সালেম আল দোসারি। একটু পর ম্যালকমের শট পোস্তে লেগে ফেরে। তবে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারকে। ৭২ মিনিটে হেডে গোল করেন ম্যালকম।
এরপর রোনালদোর একটি গোলের চেষ্টা অনায়াসে আটকে দেন কালিদু কুলিবালি। ৮৬ মিনিটে আলী আল বুলায়হির সঙ্গে বল কাড়াকাড়ি করতে গিয়ে মেজাজ হারান রোনালদো। কনুই দিয়ে আঘাত করেন আল হিলালের ডিফেন্ডারকে। এমনকি রেফারিকে তাঁকে সরাসরি লাল কার্ড দেখালে রাগে ঘুষিও তোলেন। ভাগ্যিস, শেষ মুহূর্তে হাত নামিয়েছেন বলে ঘটনাটি বেশিদূর গড়ায়নি।
যোগ করা সময়ে সাদিও মানে একটি গোল করলেও দলকে ফাইনালে নিতে পারেননি তিনি।