দাবি স্পোর্তের

বেতনের চিন্তায় বার্সেলোনাকে না বলে দিলেন ফুটবলার

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রেয়াল মাদ্রিদ লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার সম্ভাবনা আছে এখনো। ওদিকে এ মৌসুমে একদম খালি হাতে ফিরেছে বার্সেলোনা। আগামী মৌসুমে এমনটা যেন না হয়, এরই মধ্যে নিশ্চিত করতে নেমেছে তারা।

এরই মধ্যে কোচ শাভি এরনান্দেসকে ছাঁটাই করেছে তারা। ইএসপিএন বলছে, সাবেক বায়ার্ন মিউনিখ কোচ হানসি ফ্লিককে নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগের ঘোষণাও চলে আসবে খুব দ্রুত। তবে দল গোছানোর চিন্তায় একটি ধাক্কা খেয়েছে তারা। 

আর্থিক ঝামেলা দলবদলের ব্যাপারে বার্সেলোনার কাজটা কঠিন করে তুলেছে। বার্সেলোনার মানের তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে মুফতে পাওয়া যাবে, এমন খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করতে হচ্ছে তাদের। অর্থ খরচ করে যে খেলোয়াড় নিচ্ছে না তা না, তবে ফ্রি খেলোয়াড়েই নজর বেশি কাতালান ক্লাবের। এভাবে বিশ্বমানের মিডফিল্ডার ইলকায় গুনদোয়ানকেও পেয়েছে তারা।

এই মৌসুমেও সে পথে হাঁটতে যাচ্ছে বার্সেলোনা। এরই মধ্যে রেয়াল বেতিসের গিদো রদ্রিগেসের সঙ্গে কথা বলে রেখেছে তারা। তবে কাতালান সমর্থকেরা অন্য এক ঘোষণার অপেক্ষায় ছিলেন। বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখনো চুক্তি নবায়ন করেননি ইউশুয়া কিমিখ। 

সের্হিও বুসকেতসের শূন্যস্থান কিমিখকে দিয়েই পূরণ করার স্বপ্ন দেখছিল বার্সেলোনা। ফ্লিককে পাওয়ায় সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছিল। এই কোচের অধীনে বায়ার্নে ট্রেবল জিতেছেন কিমিখ, জার্মানির জার্সিতেও খেলেছেন বিশ্বকাপ। 

বায়ার্ন চুক্তি নবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে, তবে বনিবনা না হলে এই মৌসুমেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। রবের্ত লেভানদফস্কির ক্ষেত্রেও চুক্তির এক বছর বাকি থাকা অবস্থায় বিক্রি করে দিয়েছিল ক্লাবটি। 

তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত বলছে, এরই মধ্যে বার্সেলোনা যে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তা ফিরিয়ে দিয়েছেন কিমিখ। কাতালান সংবাদ মাধ্যম বলছে অর্থই এই অনিচ্ছার মূল। স্পোর্তের দাবি, বায়ার্নে বর্তমানে বছরে কর কেটে রাখার পর ১ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো পান কিমিখ। 

বার্সেলোনার পক্ষে এই বেতন দেয়া সম্ভব না। কারণ, এই মৌসুমে আবার ক্লাবটিকে ১:১ অনুপাতে ফিরিতে হচ্ছে। অর্থাৎ দলবদলে যত টাকা ব্যয় করবে, সে টাকা দলবদলের মাধ্যমে আয় করতে হবে। এমন অবস্থায় বেতন সীমায় এত বড় চাপ নেওয়া সম্ভব না।

এই অবস্থায় কিমিখ যদি বেতন কমিয়ে বার্সেলোনায় যেতে রাজি হন, থলেই কেবল চুক্তি সম্ভব। কদিন আগেই নতুন চুক্তির ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে স্পেনের দুই বড় ক্লাব বার্সেলোনা বা মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেলে যে খুশি হবেন, এমনটা জানিয়েছিলেন কিমিখ।