বিশ্বকাপ ট্রফি দেখে মুগ্ধ জামাল

‘প্রায় ৭ কেজি খাঁটি সোনা’

ফিফা ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে একদিনের জন্য বাংলাদেশে এসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। এবারের ট্যুরে প্রতিনিধি হয়ে এসেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী দলের মিডফিল্ডার গিলবার্তো দি সিলভা।

সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রফি পৌঁছালে সেখানে ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। খুব কাছ থেকে ট্রফি দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে জামাল বলেছেন, প্রায় ৭ কেজি ওজনের খাঁটি সোনা!

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে জামাল বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে গিলবার্তো আসছে। এটাই আমার প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার অভিজ্ঞতা। আমার খুব ভালো লাগছে।’

এতদিন বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে জামালের কল্পনা যেমন ছিল, সেটা পুরোপুরি পরিবর্তন হয়েছে দেখার পর। সে প্রসঙ্গে জাতীয় দলের অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু এটা আসলে অনেক বড়। আর জিজ্ঞেস করছি, মানে ওজন কেমন? প্রায় ৭ কেজি খাঁটি সোনা। তাই অভিজ্ঞতা খুব ভালো ছিল।’

এবারের ট্যুরে বিশ্বের ৩০টি দেশের ৭৫টি স্থানে বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শিত হবে। সেই ৩০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম। এই ট্রফি ট্যুর নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন জামাল, ‘যেহেতু ট্রফি আসছে বাংলাদেশ, লেট দিস বি অ্যান ইন্সপিরেশন টু অল দ্য ফুটবলার্স যারা হার্ড ওয়ার্ক করতে পারে, প্র্যাকটিস... হুএভার ওয়ান্টস টু বি আ ফুটবলার। বাট দিস ট্রফি, আমি মনে করি আরও মোটিভেশন আসবে।’

জামাল ভূঁইয়া আরও জানিয়েছেন, তিনি ব্রাজিলের সমর্থক। সে হিসেবে এবার ট্রফি ট্যুরে প্রতিনিধি হিসেবে একজন ব্রাজিলিয়ানকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি। এ প্রসঙ্গে জামালের ভাষ্য, ‘ছোটবেলা থেকে আমি ব্রাজিলকে ফলো করছি, কারণ আমার প্রথম পছন্দের ফুটবলার ছিল রোনালদো। আর স্পেশালি যেমন আমি গিলবার্তোর সামনে বলছি, মানে স্পেশালি দ্য টিম (ব্রাজিল) ২০০২। ইয়েস, ওই টিমে গিলবার্তো ছিল। তো স্পেশালি এই টিমটা আমাকে অনেক ইন্সপায়ার করছে কারণ ওই সময় আমার বয়স ছিল ১২ বছর।’

জন্মস্থান ডেনমার্ক, নাকি ব্রাজিল- আগামী বিশ্বকাপে কাকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখতে চান জামাল, এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘অফকোর্স আমি চাই ডেনমার্ক। কারণ ডেনমার্কে তো আমার জন্ম। কিন্তু ডেনমার্ক যদি না পারে, তাহলে অবশ্যই আমি ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চাই।’