রেয়াল মাদ্রিদের চোখে, রেফারির ‘ফালতু’ সিদ্ধান্তই তাদের হারের কারণ

ম্যাচের ৮৬ মিনিটের খেলা চলছিল। রেয়াল মাদ্রিদ ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইনে তখন ৪-৪ সমতা। ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ওই ৮৬ মিনিটের একটা ঘটনাই বদলে দিল ম্যাচের দৃশ্যপট!

এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এতে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়েন ফরাসি মিডফিল্ডার। ১০ জনে পরিণত হয় মাদ্রিদ। ওই ঘটনার তিন মিনিট পরেই গোল করে মাদ্রিদের সেমিফাইনালেল আশা থামিয়ে দেন লুইস দিয়াস। পরে যোগ করা সময়ে আরেকটা গোল করেন মাইকেল অলিসে। তাতে ম্যাচটা ৪-৩ ব্যবধানে আর দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের টিকিট পায় বায়ার্ন।

কামাভিঙ্গার ওই লাল কার্ডটাই যে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে, সেটা ম্যাচ শেষে স্পষ্ট জানিয়েছেন মাদ্রিদ কোচ আলভারো আরবেলোয়া। শুধু কোচই নন, রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন জুড বেলিংহাম-আন্তোনি রুডিগারও।

তা কামাভিঙ্গা কী করেছিলেন? বল দখলের লড়াইয়ে হ্যারি কেইনকে পেছন থেকে ফেলে দেন ফরাসি মিডফিল্ডার। রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজালে কিছুটা বিরক্ত হয়ে বল হাতে নিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে হাঁটতে থাকেন কামাভিঙ্গা। বল নিতে কিমিখ পেছন পেছন গেলেও সেদিকে যেন ভ্রূক্ষেপই ছিল না তাঁর। আর ঠিক তখনই কামাভিঙ্গাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখান রেফারি স্লাভকো ভিঞ্চিচ।

ওই লাল কার্ডটাই রেয়াল মাদ্রিদকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে মনে করেন আরবেলোয়া। ম্যাচ শেষে মাদ্রিদ কোচ বলেছেন, ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে, এটাই (কামাভিঙ্গার লাল কার্ড স্পষ্ট ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। এমন কিছুর জন্য একজন খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া যায় না। আমার মনে হয়, রেফারি জানতেনই না যে, কামাভিঙ্গা আগেও একবার হলুদ কার্ড দেখেছে।’

মিক্সড জোনে যাওয়ার সময় বেলিংহাম বলেন, ‘ফালতু একটা ব্যাপার... কামাভিঙ্গার দুটো ফাউল, দুটোই হলুদ কার্ড।’ আর রুডিগার অসন্তোষ নিয়ে বলেন, ‘কিছু না বলাই ভালো… আপনি তো দেখেছেন, তাই না?’