নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমার কতক্ষণ খেলবেন?

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নিউ ইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ২টায় নরওয়ের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এ ম্যাচের আগে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল দুই দলের দুই বড় তারকা আর্লিং হলান্ড ও নেইমার জুনিয়রের দ্বৈরথ নিয়ে। কিন্তু নেইমারের বদলে সেখানে যোগ হয়েছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম। এতে আলোচনাটাও হচ্ছে হলান্ড বনাম ভিনির মধ্যে!

নেইমারকে আলোচনায় থাকতে দেয়নি মূলত তাঁর ফিটনেস। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বটে, কিন্তু নেইমার বিশ্বকাপে গিয়েছেন চোট নিয়ে। গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন ১৪ মিনিটের জন্য। এরপর রাউন্ড অব থার্টি টু-তে আবার দর্শকের ভূমিকায়!

তা নরওয়ের বিপক্ষে নেইমার ঠিক কতক্ষণ খেলবেন? শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিল কোচ জানিয়েছেন, নেইমার পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিট অবস্থায় আছেন। তবে আজকের ম্যাচে নেইমারকে ঠিক কতক্ষণ খেলতে দেখা যাবে, সেটা স্পষ্ট করেননি ব্রাজিল কোচ।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ফোলহা দে সাও পাওলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, ও (নেইমার) ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত।’

তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেইমারকে কতক্ষণ মাঠে দেখা যাবে, এমন প্রশ্নের জবাবে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘ও (নেইমার) ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত আছে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কতক্ষণ খেলবে, সেটা কেউ জানে না। ওর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করার। যখন আমার মনে হবে, দলের ওকে দরকার, তখন ওকে মাঠে নামাব।’

নেইমারের মতো তারকাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জও যে আছে, সেটাও স্বীকার করেছেন আনচেলত্তি। পর্যাপ্ত সময় মাঠে খেলতে না পারায় নেইমার খুশি না থাকলেও খুব ভালো আচরণ করছেন বলে জানিয়েছেন আনচেলত্তি।

ব্রাজিল কোচ বলেছেন, ‘ও খুশি নয়, কিন্তু খুব ভালো আচরণ করছে। ও খুব ভালোভাবে অনুশীলন করছে। নেইমার অত্যন্ত সম্মানশীল, বন্ধুসুলভ এবং সতীর্থদের কাছে প্রিয়। ও দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওর একদিকে দুর্দান্ত দক্ষতা আছে, আবার মানুষ হিসেবেও খুব বিনয়ী। ওকে নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। সব সময়ের মতোই, সেও খেলতে চায়।’

তা নেইমার কি প্রথম একাদশে খেলতে চায়? এমন প্রশ্নের জবাবে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘ও (নেইমার) সরাসরি বলে না যে “আমি খেলতে চাই।” কিন্তু ওর খেলার ইচ্ছেটা স্পষ্ট। এটা ইতিবাচক। ওর মতো একজন খেলোয়াড় বেঞ্চে বসে কখনোই খুশি থাকতে পারে না।’