ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড, নজরে মেসি-কেইন

বিশ্বকাপের সেমিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণ। ২০০২ সালের পর প্রথমবার মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট দল। কখনো সেমিতে না হারা আকাশী-নীলদের টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য। অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবার সেমির বাধা টপকাতে মরিয়া ইংলিশরা। আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথমবার মুখোমুখি হবেন মেসি-কেইন।

দুই যুগ পর আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মুখোমুখি, তাও আবার বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। দ্বৈরথের উত্তাপ আটালান্টায়, বিশেষ উপলক্ষ্য মেসিকে ঘিরে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই প্রথম ইংলিশ পরীক্ষা এলএম টেনের।  

নকআউট পর্বের প্রতিটি ধাপ কষ্টে পেরিয়েছে আর্জেন্টিনা। তিন ম্যাচের দুটি জিতেছে অতিরিক্ত সময়ে। ৯ গোলের বিপরীতে হজম করেছে পাঁচটা। প্রতিপক্ষের কাউন্টারে অ্যাটাকে ভেঙে পড়ছে আকাশী-নীলের রক্ষণ। তালিয়াফিকোর সঙ্গে মন্তিয়েল, মোলিনাও ধুঁকছেন। ভরসা রোমেরো আর লিসান্দ্রো।

ট্রানজিশনে মিডফিল্ডও সাদামাটা। কার্যকর উইঙ্গার না থাকায় ভুগছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। দে পল, পারেদেসদের ওপর তাই বাড়তি চাপ।

লড়াকু মানসিকতা, সতীর্থদের শক্ত বন্ধন দলের শক্তি। আলভারেজ-লাওতারো গোল পাওয়া স্বস্তির স্কালোনির জন্য। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও তাদের সমর্থন প্রয়োজন। আর মেসি তো আছেনই ম্যাজিক মোমেন্টের জন্য। ইংলিশদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় রাখতে মরিয়া থাকবেন। 

ইংল্যান্ডও বন্ধুর পথ পেরিয়ে স্বপ্নযাত্রা চালু রেখেছে। সেমিফাইনালের আগে দলে অন্তর্কোন্দলের গুঞ্জন। মাঠের খেলায় সেটার প্রভাব না পড়লেই হয়। দারুণ ফর্মে হ্যারি কেইন ও বেলিংহাম। বড় ম্যাচে গরডন হতে পারেন এক্স-ফ্যাক্টর।গোলকিপার পিকফোর্ডও দারুণ করছেন। সাকা, রাইসরা জ্বলে ওঠার অপেক্ষায়।

বিশ্বকাপে পাঁচবারের দেখায় ইংল্যান্ডের তিন জয়ের বিপরীতে আর্জেন্টিনা জিতেছে দুবার। সেমিতে এই প্রথম মুখোমুখি। টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা, নাকি ৬০ বছরের অপেক্ষা ফুরাবে ইংল্যান্ডের, রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষা।