আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী স্পেন

২০২৩ উয়েফা নেশনস লিগের পর ২০২৪ ইউরো- দুটি প্রতিযোগিতা জিতে স্পেন এখন আরও বড় শিরোপার সামনে। ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্প্যানিশরা। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল রোববার রাতের সেই শিরোপা নির্ধারণীতে স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা বাধা।

তবে স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রির মতে, ফাইনালে স্পেনের কাছে পেরে উঠবে না আলবিসেলেস্তেরা। শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসও ফুটে উঠল স্পেন মিডফিল্ডারের কথায়। রদ্রির চাওয়া, তাঁর সতীর্থরা ফাইনালে যেন হারার ভয় না পান, বরং জয়ের ক্ষুধা নিয়ে মাঠে নামে।

ফাইনাল পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে রদ্রি বলেছেন, ‘আমরা ধীরে ধীরে নিজেদের উন্নতি করেছি। গত পাঁচ বছর ধরে যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেটাই চালিয়ে যেতে হবে।’

স্পেন এবারের বিশ্বকাপে মোটে একটি গোল হজম করেছে। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে নিয়ে স্রেফ ছেলেখেলা করেছে। অথচ বিশ্বকাপে স্পেনের শুরুটা হয়েছিল কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্র দিয়ে। টুর্নামেন্টের সময় যত গড়িয়েছে, তত বেশি ছন্দ ফিরে পেয়েছে স্পেন। রদ্রির বিশ্বাস, আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও সেই ছন্দ বজায় থাকবে, ‘এই বিশ্বকাপে আসার সময় আমাদের লক্ষ্য ছিল ট্রফি জেতা। আমরা বিশ্বাস করতাম, এটা সম্ভব। আমরা প্রমাণ করেছি যে এই দলটা বড় বড় প্রতিপক্ষকে হারাতে পারে।’

নকআউটে বেলজিয়াম, কলম্বিয়া, কিংবা ফ্রান্সের মতো প্রতিপক্ষ পেরিয়ে এলেও ফাইনাল ম্যাচটি যে মোটেও সহজ হবে না, সেটা ভালো করেই জানেন রদ্রি। আর তাই ফাইনাল জিততে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এ প্রসঙ্গে রদ্রি বলেছেন, ‘সব ম্যাচে আপনারা একই স্পেনকে দেখেননি। রোববারের (ফাইনাল) ম্যাচটি আলাদা হবে। এটি শারীরিক লড়াইও হতে পারে। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। এই দলের (স্পেনের) বিশেষত্ব হলো— পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ম্যাচ খেলতে পারি।’

রদ্রি যোগ করেন, ‘আমরা রক্ষণ করতে পারি, পাল্টা আক্রমণে যেতে পারি, আবার আক্রমণাত্মক ফুটবলও খেলতে পারি। আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ দল, আর এ কারণেই ফাইনালে পৌঁছেছি।’

শিরোপা জেতার ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী রদ্রি, ‘আমরা আরও ভালো করতে পারি। ফ্রান্সের বিপক্ষে আমরা দল হিসেবে আমাদের অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আমাদের আরও এক ধাপ ওপরে উঠতে হবে, কারণ তারা চ্যাম্পিয়ন দল। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সেটা করতে পারব।’