গোল উৎসব হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে, ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে ১ গোলও দিতে না পারা ফরাসিরা, দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপের জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়ায়। তবে ইংলিশদের আক্রমণের সাথে পেরে ওঠেনি। ২২ গোল করে, মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এমবাপে।
ফ্রান্স-ইংল্যান্ড দু'দলের কেউই ম্যাচটি খেলতে চায়নি। বিশ্বকাপ জয়ের মিশনে এসে, তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে কে নামতে চায়! হারানোর যখন কিছু নেই তখন অতি আক্রমণাত্মক হলে ক্ষতি কি? ইংল্যান্ড তেমনটাই খেলেছে। তবে তা কেইন-বেলিংহামকে শুরুর একাদশে না রেখেই। ৩ মিনিটে ডেকলান রাইসের গোল দিয়ে শুরু।
এরপর ১৮ মিনিটে কনসা ও শেষ দিকে বুকায়ো সাকার জোড়া গোল। শুরুর অর্ধেই ৪ গোল দেয় ইংল্যান্ড। থ্রি লায়ন্সের আক্রমণের তোপে, ফ্রান্স আক্রমণে সুবিধা করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। এ ম্যাচ থেকে যার সবচেয়ে বেশি অর্জনের রয়েছে, সেই কিলিয়ান এমবাপে প্রথম লিড এনে দেন।
এরপর ব্র্যাডলি বার্কোলার গোলে ব্যবধান আরো কমায় ফ্রান্স।
৬৬ মিনিটে এমবাপে জোড়া পূর্ণ করলে, ম্যাচে ভালো মতো ফিরে আসে ফরাসিরা। এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি আসরে সর্বাধিক তো বটেই, বিশ্বকাপ ইতিহাসেই সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ড গড়লেন এমবাপে। মেসিকে ছাড়িয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে গেলেন।
ফ্রান্সের সামনে যখন ম্যাচ ড্র বা জয়ের সুযোগ, তখন আরো একবার জ্বলে উঠলো ইংল্যান্ড। শেষদিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বুকায়ো সাকা। এরপর বদলি নেমে বেলিংহাম গোল করে, ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন।
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স তৃতীয় হয়েও আসর শেষ করতে পারলো না। ফরাসিদের বিপক্ষে বড় জয়ে, কেইন-বেলিংহামরা কিছুটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে বাড়ি ফিরবে।