২০১৬ সালে কিউবার রাজধানী হাভানায় মার্কিন দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তার শরীরে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। বমিভাব, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, মাথা ঝিমঝিম করা, স্মৃতিশক্তি লোপ ইত্যাদি। ৮ বছর বাদে মার্কিন কূটনীতিকদের শরীরের এসব লক্ষণ নিয়ে আবারও শুরু হলো আলোচনা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ২০১৬ সালের পর থেকেই মার্কিন কমকর্তাদের দেহে রহস্যময় এসব লক্ষণ দেখা যায়, যার নাম হাভানা সিনড্রোম। প্রথম থেকেই অভিযোগের তীর রাশিয়ার দিকে। তবে বারবারই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে রুশ প্রশাসন।
সম্প্রতি দ্য ইনসাইডার, দের স্পিগেল ও সিবিএস সিক্সটি মিনিটসের যৌথ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। এতে দাবি করা হচ্ছে, মার্কিন কর্মকর্তাদের টার্গেট করে শব্দতরঙ্গের এই ‘অস্ত্র’ ব্যবহার করে আসছে রাশিয়া। এতে সরাসরি যুক্ত রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগ।
এবারও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া। তবে, মার্কিন প্রশাসন বলছে, এর জন্য বিদেশি প্রশাসনকে সরাসরি দোষ দেওয়া যায় না। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপযুক্ত কারণও ব্যাখ্যা করা হয়নি। যারা আক্রান্ত, তাদের ব্যাপারেও উদাসীন মার্কিন প্রশাসন।
এই সিনড্রোমে আক্রান্তদের মধ্যে হোয়াইট হাউস সিআইএ ও এফবিআই কর্মকর্তারাও রয়েছেন। মোট ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা এতে আক্রান্ত বলে জানা যায়। মার্কিন প্রশাসন আক্রান্তদের সব খরচ দেয়।
গোপন কোনো ডিভাইস থেকে আসা মাইক্রোওয়েব (তরঙ্গ) এই সিনড্রোমের কারণ হিসেবে মনে করা হয়।